আর অভিজ্ঞ বুড়ো হাড়ে নয়, এবার ছক বদলে যুবতেই আস্থা রাখার সিদ্ধান্ত বামেদের। বয়স বাইশ, তেইশ, এমন তাজা রক্তদেরই এবার প্রার্থী করতে চলেছে বামফ্রন্ট। সূত্রের খবর, একুশের বিধানসভা নির্বাচন ও তারপরের উপনির্বাচনে তরুণ মুখেই ভরসা রেখেছিলেন বামেরা। তার ফলও মিলেছে। একলা লড়ে ভালো ভোট পেয়েছে বামফ্রন্ট। একলা চলার পাশাপাশি নতুন মুখেদের সামনে রেখেই এবার ময়দানে নামবে কমরেডেরা।
{link}
একুশের বিধানসভা নির্বাচনে জোট গড়ে লড়াই করে বাম-কংগ্রেস। পরে ওই জোটে শামিল হয় পিরজাদা আব্বাস সিদ্দিকির নয়া দল আইএসএফ। একমাত্র ভাঙড় ছাড়া রাজ্যের আর কোনও আসনেই জয়ী হয়নি জোট প্রার্থীরা।এর পরেই ভেঙে যায় জোট। উপনির্বাচনে একলা লড়ে বামফ্রন্ট। তখনও দেখা যায়, ভোট বেড়েছে বামেদের। পুরভোটেও একলা চলো নীতি নেয় বাম। পরে একই সিদ্ধান্ত নেন কংগ্রেস নেতৃত্বও। তবে জোট হবে কিনা, সেই সিদ্ধান্ত স্থানীয় স্তরের নেতৃত্বই নেবেন বলেও সিদ্ধান্ত নেন বামেরা। সেই মতো কলকাতা পুরসভার ১৬টি ওয়ার্ড ছেড়ে বাকিগুলিতে এদিনই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করার কথা বামেদের। বাকি আসনগুলিতে রাত্না রায় মজুমদার, মৃত্যুঞ্জয় চক্রবর্তী, ফৈয়াজ আহমেদ খান, মধুছন্দা দেবের মতো পোড়খাওয়া রাজনীতিবিদেরা যেমন রয়েছেন, তেমনি থাকছেন বছর সদ্য যৌবনে পা দেওয়া শাকিব আখতার প্রার্থী হচ্ছেন ৬৬ নম্বর ওয়ার্ডে।
{link}
একুশের বিধানসভা ভোটে সিঙ্গুর, নন্দীগ্রামের মতো গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলিতে সৃজন ও মীনাক্ষীর ওপর ভরসা রেখেছিলেন বামেরা। ভবানীপুর উপনির্বাচনে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রিয়ঙ্কা টিব্রেওয়ালের সঙ্গে টক্কর নিয়েছেন তরুণ আইনজীবী শ্রীজীব বিশ্বাসও। পুরসভার ভোটেও সেই ধারাই বজায় রাখতে চান বামেরা। অভিজ্ঞ ও বৃদ্ধ নেতৃত্বদের উপর আস্থা রেখে একের পর এক পরাজয়ের সম্মুখীন হতে হয়েছে লালেদের। বিধানসভায় আসন সংখ্যা ৭ থেকে কমে গিয়ে ঠেকেছে ০ তে। তাই এবার সম্পূর্ন ছক বদলে তাজা রক্তদের সম্মুখে রেখে নতুন লড়াই শুরু বামেদের।
