নিজস্ব সংবাদদাতা, উত্তরবঙ্গঃ ‘কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই’-মান্নাদের গানটি কলকাতার কফি হাউসের জন্য বিখ্যাত একটি গান। মান্না দের গানের সেই চরিত্রগুলি আজ না থাকলেও কফি হাউসের আড্ডা কিন্ত আজও আছে নিজের পুরোনো যায়গাতেই। কিন্তু এবার শুধু কলকাতায় কফি হাউস নয়। কফি হাউসের আড্ডা দেওয়া যাবে শৈলশহর দার্জিলিং-এও। মঙ্গলবার দার্জিলিং-এর কফি হাউজের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।
{link}
দার্জিলিং এর রিচমন্ড হিলের সামনে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারা উদ্বোধন হয়েছে কফি হাউজের। এই কফি হাউজটি লাইব্রেরি কাম কফি হাউজ তাই এখানে মানুষ বইও পড়তে পারবেন জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন দার্জিলিং এর কফি হাউজের উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "আগের মত করে আর কফি হাউজের আড্ডা হয় না" তাই এখন আধুনিকতায় মোড়া কফি হাউজ এগিয়ে যাবে। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর সাথে কফি হাউজে এসেছিলেন অনিত থাপা, এবং পাহাড়ের অন্যান্য তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। এছাড়া মুখ্যমন্ত্রীর সাথে ছিলেন অরুপ বিশ্বাস এবং সাহেব চট্টোপাধ্যায়। উদ্বোধনের পরে মুখ্যমন্ত্রী কফি হাউজে প্রায় ঘন্টাখানেক ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী জানান এই কফি হাউজে পর্যটকেরা এসে আনন্দ পাবে। তাই পর্যটকদের জন্য রইল সাদর আমন্ত্রন।
{link}
কলেজ স্ট্রিটের কফি হাউসে বসে আমরা প্রায় সকলেই একবার হলেও আড্ডা দিয়েছি। তবে সেই আড্ডা শৈলশহরের পাহাড়ের কোলে অবস্থিত শহর দার্জিলিং-এ দিতে কেমন লাগে, সেই অনুভূতির স্বাদ পেতে হলে পরের বার পাহাড়ে গেলে এই কফি হাউসে ঘুরে আসা চাই-ই-চাই। তার সাথে রয়েছে বই পড়ার সুযোগও। কে বলতে পারে হয়ত, কফি কাপে চুমুকু দিয়ে, সামনের মানুষকে দেখে মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসতেই পারেন কবির সুমন, “এক কাপ চায়… থুড়ি!! কফিতে আমি তোমাকে চাই!”

