Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 09/06/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

সাগর সঙ্গমে ডুবে স্নান নয়, ড্রোনের মাধ্যমে অবগাহনের পুণ্যি বর্ষণ করা হবে পুণ্যার্থীদের ওপর

Loading... রাজ্য
সাগর সঙ্গমে ডুবে স্নান নয়, ড্রোনের মাধ্যমে অবগাহনের পুণ্যি বর্ষণ করা হবে পুণ্যার্থীদের ওপর
#news #Gangasagar Mela 2021 #Mamata Banerjee #Ganga Sagar festival #South 24 Paragana #West Bengal #India #রাজনীতি #সংবাদ

‘সব তীর্থ বারবার, গঙ্গাসাগর একবার’- একসময় গঙ্গাসাগর মেলার মানে এই কথাই ছিল পর্যটক ও ভক্তবৃন্দের কাছে। কিন্তু আধুনিক সময়ের সাথেই ভোল বদলাচ্ছে গঙ্গাসগর মেলার! আগের বারের মতো এই বছরেও করোনার ছায়া পড়েছে গঙ্গাসাগর মেলায়। সূত্রের খবর সেই দিকে লক্ষ্য রেখেই, সাগর সঙ্গমে ডুবে স্নান নয়, ড্রোনের মাধ্যমে অবগাহনের পুণ্যি বর্ষণ করা হবে পুণ্যার্থীদের ওপর। মেলা থেকে যাতে করোনা সংক্রমণ না ছাড়ায়, তার সব ব্যবস্থা পাকা করতে চাইছে রাজ্য সরকার। তবে মেলা বন্ধ হবে না বলেই স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরেও কি ভিড় ও ভক্তদের সমাহার-এর মধ্যে দূরত্ববিধি নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব হবে?

 
হিন্দু বিশ্বাস অনুসারে, গঙ্গা যেখানে সাগরে পতিত হয়েছে সেই সাগর সঙ্গমে মকর সংক্রান্তির স্নান বড় পুণ্যের। এই পুণ্যের লোভেই ফি বছর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গঙ্গাসাগরে ছুটে আসেন পুণ্যলোভীরা। গত বেশ কয়েক বছর ধরে বিদেশ থেকেও পুণ্যের খোঁজে আসছেন ভক্তরা। লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থীর এহেন মিলন মেলায় যাতে কোনও ত্রুটি না হয়, সেজন্য ফি বছর প্রাণপাত করে প্রশাসন। তার পরেও ছুটকো ছাটকা অঘটন যে ঘটে না, তা নয়। তবে অতিকায় মেলার তুলনায় তা নেহাতই নগন্য।

{link}
মকর সংক্রান্তির এই মিলন মেলায়ও চোখ রাঙাচ্ছে ওমিক্রন। করোনা ভাইরাসের এই নয়া ভ্যারিয়েন্টই ভাবাচ্ছে মেলার উদ্যোক্তাদের। তবে তাতে অবশ্য ভীত নয় রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাগর পরিদর্শন করে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, মেলা হবে। তিনি বলেছিলেন, এই মেলা সবার। তাঁর প্রশ্ন, উত্তর প্রদেশ, বিহার সহ দেশের বিভিন্ন অংশ থেকে যেসব মানুষ আসছেন, তাঁদের কীভাবে বাধা দেব? 

{link}
অতএব, মেলা হবে। তবে ভোল বদলাতে পারে মেলার। গঙ্গাসাগর মেলা শুরু হবে ৮ জানুয়ারি। চলবে ১৬ তারিখ পর্যন্ত। শাহি স্নান ১৫ তারিখে। তবে এবার এখনও সাগর স্নানের অনুমতি দেয়নি প্রশাসন। গতবারের মতো এবারও ই-স্নানের বিষয়টি ভেবে দেখছে প্রশাসন। সমুদ্রের জল পাইপলাইনের মাধ্যমে অস্থায়ী বাথরুমে দিয়ে স্নানের ব্যবস্থা করা হয়েছিল, এবারও তেমন হতে পারে। তবে স্নানের পরিবর্তে ড্রোনের মাধ্যমে আকাশ পথে পবিত্র তীর্থের জল ছড়িয়েও স্নানের পুণ্য দানের ব্যবস্থা হতে পারে। তাতে অন্তত আর যাই হোক, সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা কমবে ঢের। কিন্তু সাধুরা কি এই ব্যাবস্থা আদৌ মেনে নেবেন? প্রশ্ন সেদিকেও। তবে এখন মারন ভাইরাসের বাড়তে থাকা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রন করাই লক্ষ্য রাজ্য সরকারের। 

সর্বশেষ আপডেট: