নিজস্ব সংবাদদাতা, নদীয়াঃ হাঁসখালি নাবালিকা গণধর্ষণকাণ্ডে নির্যাতিতার বাড়িতে এবং শ্মশানে পুনরায় সিবিআইয়ের প্রতিনিধিদল। পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘক্ষন কথা বলে তারা। এর পাশাপাশি শ্মশানে গিয়ে সেদিনের ঘটনার বিবরণ জানতে চান তারা। হাঁসখালি গণধর্ষণকাণ্ডে তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। পুলিশের জালে ধরা পড়েছিল মূল অভিযুক্ত সোহেল গোয়ালী সহ তার বন্ধু প্রভাকর পদ্দার।
{link}
ইতিমধ্যে তাদের সিবিআই নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও এক অভিযুক্ত রঞ্জিত মল্লিক কে গ্রেপ্তার করে। তাদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর পাশাপাশি নির্যাতিতার পরিবারের ডিএনএ নমুনাও সংগ্রহ করে সিবিআই। তদন্তকারী সংস্থা ঘটনাস্থল থেকে রক্তমাখা চাদর এবং শ্মশান থেকে পোড়া জামাকাপড় সংগ্রহ করে ছিল সেগুলি ইতিমধ্যেই ডিএনএ পরীক্ষার জন্য দিল্লি ফরেনসিক দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। সেই রিপোর্ট হাতে পেলে তদন্ত অনেকটা এগিয়ে যাবে বলেই মনে করছে তদন্তকারী প্রতিনিধিদল। অন্যদিকে মঙ্গলবার সিবিআইয়ের প্রতিনিধিদল মৃত নাবালিকার বাড়িতে যান। দীর্ঘক্ষন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর যে শ্মশানে ওই নাবালিকাকে দাহ করা হয়েছিল সেই শ্মশানে গিয়ে সেখানকার যে বৃদ্ধ শ্মশান দেখাশোনা করতেন তার সঙ্গে দীর্ঘ কোন কথা বলেন।
{link}
হাঁসখালি গনধর্ষণ কাণ্ডে নির্যাতিতার দেহ না থাকায় তদন্ত অনেকটাই জটিল হয়ে পড়েছে। পুলিশের উপর ভরসা না থাকায় এখন তদন্তের ভার নিয়েছে সিবিআই। সিবিআই-এর তদন্তে কিছুটা হলেও আশার আলোর দেখা মিলেছ। দ্রুতগতিতে চলছে তদন্ত।
