বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতাল থেকে উধাও হয়ে যাওয়া বৃদ্ধের খোঁজ মিললো না ৩ মাসেও । তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ, জানানো জেলা স্বাস্থ্য দফতর । তিন মাস হতে চললেও ডোমজুড় থানা এলাকায় বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতাল থেকে নিখোঁজ হওয়া এক বৃদ্ধ রোগীর কোনও খোঁজ মিললো না এখনো । করোনা পজিটিভ হওয়াড় জন্য গত ১ মে ওই কোভিড হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন উলুবেড়িয়ার হাটকালীগঞ্জের বাসিন্দা নারায়ণ চন্দ্র সাহা (৬৯)। গত ২ মে সন্ধ্যায় হাসপাতালে ফোন তার পরিবারের লোক জানতে পারে, যে ১২৪ নম্বর বেডে ভর্তি হয়েছিলেন নারায়ণবাবু, সেখানে তিনি নেই। তার পর থেকেই আর নারায়ণবাবুকে পাওয়া যায়নি। ডোমজুড় থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা থেকে শুরু করে নবান্নে চিঠি দেওয়া সবই করেছে বৃদ্ধের পরিবার। কিন্তু এখনো পর্যন্ত বৃদ্ধের কোনও খোঁজ দিতে পারেনি জেলা প্রশাসন। শুধুমাত্র স্থানীয় ফাঁড়িতে একটি নিখোঁজ অভিযোগ লিপিবদ্ধ করেই দায় সেরেছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, অভিযোগ পরিবারের। তারা আরও বলেছেন হাসপাতাল চত্বরে এবং রাস্তায় অনেকগুলি CCTV রয়েছে। যেগুলির ফুটেজ তৎক্ষনাৎ খতিয়ে দেখলে সত্যি সামনে উঠে আসত। পরিবারের দাবী তাঁদেরকে সঠিক তথ্য জানানো হোক। পাশাপাশি নিখোঁজ নারায়ানবাবুর স্ত্রীর দাবী তাঁর স্বামীকে যে অবস্থায় আছেন সেই অবস্থায় পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে প্রশাসনকে। পরিবারের পক্ষ থেকে হাওড়ার জেলাশাসক ও মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরেও বিষয়টি জানানো হয়েছে। এই প্রসঙ্গে জেলা মূখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক CMOH জানান, তদন্ত চলছে। নিরাপত্তা রক্ষী থাকার পরেও কিভাবে এই ঘটনা ঘটল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি হাসপাতালের সিসিটিভির ফুটেজও পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।
{link}
শুধু নারায়ণবাবুর রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাই নয় এর আগেও রোগী নিখোঁজ হওয়া থেকে, মৃত কোভিড রোগীর দেহ না পাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বালিটিকুরির কোভিদ হাসপাতালে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে কাদের গাফিলতিতে ঘটছে এমন ঘটনা বা স্বাস্থ্য বিভাগের আধিকারিকরাই বা কী করছেন? জানতে চান ভুক্ত-ভুগি থেকে সাধারণ মানুষ। হাসপাতাল থেকে একজন মানুষের উধাও হয়ে যাওয়া তার পরিবারের কাছে যেমন কষ্টের, তেমনই বাকি মানুষজন বা রোগীর পরিবারের কাছে আতঙ্কেরও বটে।
