শেষ রবিবার করোনা সংক্রমণ রূখতে ঘোষণা করা হয়েছে নতুন কোভিডবিধি। করোনার তৃতীয় তরঙ্গ রুখতে রাজ্যে ফের আংশিক লকডাউনের ঘোষণা করাও হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই হাওড়া জেলায় মোট ৪১টি মাইক্রো কণ্টেইনমেণ্ট জোন করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এই নিয়ে প্রশাসনও বেশ উদ্বিগ্ন।
{link}
এদিন নবান্নের তরুফ থেকে ঘোষণা করা হয়, করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের সংক্রমণ রুখতে হাওড়া জেলার মোট ৪১টি এলাকাকে মাইক্রো কণ্টেইনমেণ্ট জোন করা হবে। হাওড়া সদর ডিভিশনে মোট ৩৯টি এবং গ্রামীণ হাওড়া এলাকার মোট ২টি এলাকাকে এই জোনের আওতায় আনা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে,সর্বাধিক মাইক্রো কন্টেইনমেন্ট জোন রয়েছে হাওড়া পৌরনিগম এলাকার ১১,১২,১৩,১৪,১৫,১৭,২৬,৩৪,৩৬,৪০,৪১,৪৪,৪৫,৪৭ এবং বালি পৌরসভার অন্তর্গত ১৫,১০ নম্বর ওয়ার্ডের কিছু এলাকা। এছাড়াও হাওড়া সদর ডিভিশনের সাঁকরাইল,ডোমজুড়,জগৎবল্লভপুর ও পাঁচলা ব্লকের কয়েকটি এলাকাকে কন্টেইনমেন্ট জোন করা হয়েছে। হাওড়া গ্রামীণ এলাকায় আমতা ১নম্বর ব্লক ও উলুবেড়িয়া ১ নম্বর ব্লকের বেশ কিছু এলাকাকে এই জোনের তালিকায় রাখা হয়েছে।
{link}
বড়দিন শেষ হওয়ার পর থেকেই বছরের শেষে ওমিক্রনের প্রভাব যেভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে তার বিরুদ্ধে লড়াই করতে এই মাইক্রো কন্টেই্নমেন্ট জোন বেশি কার্যকরী হবে বলেই মনে করছেন প্রশাসন সহ স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। কারন করোনা গ্রাফ রিতীমতো চিন্তা বাড়িয়ে তুলেছে এবং এই প্রসঙ্গে ভাবতে বাধ্য করেছে প্রশাসনকে। যে কারনে ফের একবার মৃত্যুমিছিল রুখতে ধীরে ধীরে ছন্দে ফিরতে থাকা সাধারন মানুষের জীবনপ্রবাহকে আবারও একবার রুদ্ধ করার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার পথে হেঁটেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এখন এহেন পদক্ষেপগুলি সংক্রমণ রুখতে সক্ষম হয় কি না, তাই দেখার বিষয়।
