নিজস্ব সংবাদদাতা, হাওড়াঃ হাওড়ার গোলাবাড়ি থানার অন্তর্গত নতুন মন্দিরের পাশে একটি ভ্যাট থেকে সদ্যজাত শিশুর দেহ উদ্ধার। যে ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য গোটা এলাকাজুড়ে। এহেন নরকীয় কাজ কে করল? প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন সকলেই।
{link}
স্থানীয় সূত্রের খবর ওই এলাকায় প্রাতভ্রমন করতে এসে সকাল-সকাল ভ্রমণকারীদের চোখে পড়ে ওই ভয়াবহ দৃশ্য। তারা সেটি দেখার পর খবর দেন গোলাবাড়ি থানায়। আজ সকালে ঘটনার খবর জানতে পরে গোলাবাড়ি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে সেই শিশুর দেহ উদ্ধার করেন। কে বা কারা রাতের অন্ধকারে এইখানে সদ্যজাত শিশুকে ফেলে গেছে তানিয়ে উঠছে প্রশ্ন। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে গোলাবাড়ি থানা পুলিশ।
{link}
তবে এহেন পাশবিক ও অমানবিক মানুষ কিভাবে হতে পারে সেই নিয়েই উঠছে বড়ো প্রশ্ন। এক সদ্যোজাত শিশুকে যদি লালন পালন করার ইচ্ছা বা সামর্থ না থাকে তবে তাকে পৃথিবীতে নিয়ে আসাই বা কেন? জীবনের আলো দেখানোই বা কেন? একটা ফুটফুটে প্রান জীবন কি তা বোঝার আগেই কিছু মানুষের অমানবিকতার জন্য বিদায় নিল পৃথিবী থেকে। দোষীদের কঠোর শাস্তি চাইছেন সকলেই, কিন্তু মানুষকে সবার পূর্বে যা করা দরকার, তা হল মানসিকতার পরিবর্তন, নইলে ভবিষ্যতে মনুষত্ব শব্দটার অস্তিত্ব নিয়েই সন্দেহ দেখা দেবে।
