হাওড়াঃ চাঞ্চল্যকর ঘটনা হাওড়া স্বামীজী সংঘের সাঁতার প্রশিক্ষন কেন্দ্রে। সাঁতার শিখতে এসে জলে ডুবে মৃত্যু হলো এক শিশুর। ন বছর বয়সী ওই শিশুর নাম বিদীপ্ত ঘোষ। শনিবার বিকেলে মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে সুইমিং প্রশিক্ষন চলাকালীন। সাঁতার শিখতে শিখতে অতিরিক্ত জল খেয়ে অসুস্থ হয়ে অচৈতন্য হয়ে পড়ে ছেলেটি। ঘটনাটি প্রশিক্ষকদের নজরে আসার পর তাকে উদ্ধার করে জল বের করার চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি। শিশুটিকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাওড়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত ঘোষনা করেন চিকিৎসকেরা।
{link}
সূত্রের খবর অন্যান্য দিনের মতোই বিদীপ্ত হাওড়ার ডুমুরজলা এলাকার স্বামীজী সঙ্ঘ ক্লাবের সুইমিং প্রশিক্ষন কেন্দ্রে সাঁতার শিখতে এসেছিলো তার মায়ের সাথে। অন্যান্য শিশুদের সাথে সে সাঁতার শিখছিলো প্রশিক্ষকদের কাছে। এরপর হঠাৎই সে অতিরিক্ত জল খেয়ে ফেলে অচৈতন্য হয়ে পড়ে। ঘটনাটি ওই সময়ে উপস্থিত প্রশিক্ষকদের নজরে কিভাবে আসেনি সেটাই আশ্চর্যজনক বিষয়। নজরে আসতেই প্রশিক্ষকেরা তাকে উদ্ধার করে জল বের করার চেষ্টা করলেও তখন অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে ওই শিশু। এরপর একটি বেসরকারি হাসপাতাল ও তারপর হাওড়া জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষনা করার পর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে চ্যাটার্জি হাট থানার পুলিশ। কিভাবে এবং কার গাফিলতিতে এই মৃত্যু তা জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত।
{link}
তবে সুইমিং প্রশিক্ষন কেন্দ্রটির দায়িত্ব এবং সুরক্ষাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠছেই। প্রশিক্ষকদের হাতেই সম্পূর্নভাবে শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব থাকে। এহেন ঘটনা মর্মান্তিক। এবিষয়ে ওই প্রশিক্ষন কেন্দ্রের স্থানীয় একজন সাঁতার শিক্ষার্থী জানান, এইখানে যে সুইমিং পুল-এ সাঁতার শেখানো হয় তা ঠিক সুইমিং পুল নয়, মূলত এটি একটি চৌবাচ্চার ন্যায় জলাশয় যার জলও অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর। কিন্তু প্রশ্ন হল, দুর্ঘটনার কারনে যে ফুটফুটে একটি প্রান পৃথিবী থেকে বিদায় নিল, তার দায় নেবে কে?
