নিজস্ব সংবাদদাতাঃ মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে জেলায় জেলায় শুরু হয়েছে অস্ত্র উদ্ধার অভিযান। সেই অভিযানের ফলে কার্যত ফল মিলছে হাতেনাতে। হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটের জগাছা দাসনগর ও শিবপুর থানার পরে এবার ব্যাঁটরা থানার এলাকা থেকে এক দুষ্কৃতী কে আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ সমেত গ্রেফতার করল পুলিশ।
{link}
সূত্রের খবর, ধৃতের নাম বিপিন্দর যাদব ওরফে পুতুল (২৫) ব্যাঁটরার মধুসূদন পালচৌধুরী লেনের বাসিন্দা। শুক্রবার রাতে ওই কুখ্যাত দুষ্কৃতিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। ধৃতের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় বেশ কিছু আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ। এর আগেও ওই ধৃতের বিরুদ্ধে ডাকাতি, চুরি সহ বিভিন্ন অপরাধের মামলা রয়েছে। গতকাল তাকে গ্রেফতার করার পর নতুন করে অস্ত্র আইনের মামলা রুজু করেছে পুলিশ। আজ তাকে হাওড়া আদালতেও পেশ করা হয়েছে। পুলিশ আদালতে ধৃতকে নিজেদের হেফাজতে নেবার আবেদন জানিয়েছে। জেলায় জেলায় অস্ত্র উদ্ধার অভিযানের ফলে আজ মুর্শিদাবাদের সামসেরগঞ্জেও রাস্তার ধারের একটি জঙ্গল থেকে জার ভর্তি তাজা বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে সামসেরগঞ্জ থানার পুলিশ। খবর দেওয়া হয়েছে বোম স্কোয়াড টিমকেও। কে বা কারা জনবসতি এলাকার মধ্যে জারে বোমা রেখেছিলো তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
{link}
রামপুরহাট কাণ্ডে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুলিশ কে কড়া বার্তা দেওয়ার পরেই জেলায় জেলায় শুরু হয়েছে জোরদার তৎপরতা। তবে প্রশ্ন হল এই ধরনের সিদ্ধান্ত আগে কেন নেওয়া হল না? শুধুমাত্র আজ রামপুরহাটের হত্যালীলার কারণেই কি এই সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের? কতদিনের জন্য থাকবে পুলিশের এই তৎপরতা?
