শুধুমাত্র মোদির নয় এবার রামেই ভরসা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও! তবে এই রাম ভগবান রাম নয়, এই রাম রাজনৈতিক নেতা রাম। চন্দননগর পুরসভায় এবারও তৃণমূলের বাজি প্রাক্তন মেয়র রাম চক্রবর্তী। ২২ জানুয়ারি বাকি তিন পুরসভার সঙ্গে চন্দননগর পুরসভারও ভোট। ওই ভোটে রামই ভরসা তৃণমূলের।
কলকাতা পুরসভার ভোটে বিপুল জয় পেয়েছে তৃণমূল। ১৪৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৩৪টিতে জয় পেয়েছে তৃণমূল। তার আগে খোদ তৃণমূল নেত্রী ভবানীপুর উপনির্বাচনে জয়ী হয়েছেন প্রায় ৫৮ হাজার ভোটে। জোড়া জয়ে উৎসাহিত তৃণমূল নেতৃত্ব শিলিগুড়ি, আসানসোল, বিধাননগর এবং চন্দননগর এই চার পুরসভার নির্বাচন। এর মধ্যে শিলিগুড়ি এবং চন্দননগর এই পুরসভায় মেয়র প্রজেক্ট করেই ভোটে নামছে তৃণমূল। কিন্তু অশান্তির ভয়ে আসানসোল এবং বিধাননগর এই দুই পুরসভায় কাউকেই মেয়র-মুখ হিসেবে তুলে ধরেনি তৃণমূল।
{link}
আসানসোলের প্রাক্তন মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারি তৃণমূল ছেড়ে একুশের ভোটের আগে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে। তাছাড়া আসানসোলের সাংসদ ছিলেন বাবুল সুপ্রিয়। বিজেপির এই শক্ত ঘাঁটিতে পাছে বেআব্রু হয়ে পড়ে অশান্তি, তাই আসানসোলে কাউকেই মেয়র প্রজেক্ট করা হয়নি।
{link}
একই সমস্যা বিধাননগরের ক্ষেত্রেও। সেখানেও কৃষ্ণা চক্রবর্তী, সব্যসাচী দত্ত লড়ছেন ভোটের ময়দানে। মেয়রের চেয়ার নিয়ে দ্বন্দ্ব হতে পারে এখানেও। সেই কারণেই বিধাননগরেও মেয়র প্রজেক্ট করা হয়নি কাউকেই।
তবে শিলিগুড়িতে মেয়র প্রজেক্ট করা হয়েছে গৌতমকে। এক সময় মন্ত্রী ছিলেন গৌতম। বিধানসভা নির্বাচনে হেরে যাওয়ায় এবার আর মন্ত্রী হওয়া হয়নি তাঁর। তাই তাঁকেই মেয়র প্রজেক্ট করা হচ্ছে। আর চন্দননগর পুরসভায় মেয়র পদপ্রার্থী রামই। ওই পুরসভার ৩৩টি ওয়ার্ডে প্রার্থী ঘোষণা করেছে তৃণমূল। ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে প্রার্থী হচ্ছেন রাম। জোড়াফুল শিবির সূত্রে খবর, চন্দননগরে প্রাক্তন মেয়র রামের বিকল্প কাউকে খুঁজে পায়নি তৃণমূল। তাই তাঁকেই ফের প্রার্থী করছেন জোড়াফুল নেতৃত্ব। কেন্দ্রর রাজনৈতিক মহলে অযোধ্যার রামে বাজিমাত করেছে বিজেপি। এখন এই চন্দননগরের রামে তৃণমূলের কিস্তিমাত হয় কিনা, এখন তাই দেখার। যদিও চন্দনগর যে তৃণমূল জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী, সেই কথা স্পষ্ট। এখন সেখানে ফের ঘাসফুল ফোঁটে কি না তাই দেখার বিষয়। কারনে শক্তিশালী সংগঠনের মধ্যে দলীয় কোন্দল আছে বলেও শোনা যায় বটে।
