অবশেষে স্কুলপড়ুয়া এবং কলেজপড়ুয়াদের জন্য সুখবর, খুলতে চলেছে রাজ্যের সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। করোনা মহামারির কারনে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রাজ্যের সমস্ত স্কুল কলেজ, কার্যত ধুলোর আস্তরন জমে গিয়েছে সমস্ত টেবিল ও বেঞ্চগুলিতে। ফের কবে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরবে পড়ুয়াদের জীবন ও তার পাশাপাশি ক্লাসরুমগুলি? প্রশ্ন উঠছিল বহুদিন ধরেই। আজ শিলিগুড়ির প্রশাসনিক বৈঠকে সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে অপেক্ষার অবসান ঘটালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কালী পুজো, ছট পুজো এবং জগদ্ধাত্রী পুজোর পর অবশেষে ১৫ই নভেম্বর থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য রাজ্যে খুলতে চলেছে সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দরজা।
{link}
একাধিক কর্মসূচি নিয়ে ২৪ অক্টোবর অর্থাৎ রবিবার উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার শিলিগুড়িতে প্রশাসনিক বৈঠক করেন তিনি। সেখানেই পড়ুয়াদের সুবিধার্থে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করেন। এরপরই তিনি মঞ্চে বসেই মুখ্যসচিবকে স্কুল খোলার নির্দেশ দেন। এদিন মুখ্যসচিবকে উদ্দেশ্য করে মুখ্যমন্ত্রী বললেন, “১৫ তারিখ থেকে স্কুল-কলেজ খোলা হোক। তার আগে দু’সপ্তাহের মধ্যেই স্যানিটাইজেশনের কাজ শেষ করতে হবে।” অর্থাৎ ঠিক যেরকম আগে হতো, পুজোর মরশুম শেষ হতেই ফের স্কুল-কলেজমুখো হবে সমস্ত পড়ুয়ারা। তবে ঠিক কিভাবে ক্লাস হবে তা এখনও সুনিশ্চিতভাবে কিছু বলা হয়নি। নিয়মিত ক্লাস করানো হবে কি না, তার পাশাপাশি কি কি নিয়ম মেনে চলতে হবে, করোনা পরিস্থিতিতে প্রতি ক্লাসে কতজন পড়ুয়া থাকবেন, এ বিষয়ে এখনও কোনও তথ্য মেলেনি।
{link}
উল্লখযোগ্যভাবে এই খবরে মাথায় চিন্তায় ভাঁজ পড়েছে বহু অভিভাবকেরও। পুজোর পর থেকেই দেশে ফের বাড়তে শুরু করেছেন করোনা সংক্রমন, এহেন অবস্থায় কতজনই বা নিজেদের সন্তানকে স্কুল কিংবা কলেজে পাঠাতে চাইবেন সেই দিক থেকেও একটা শঙ্কা রয়েছে। এর পাশাপাশি ঠিক কি পদ্ধতিতে ও কি নিয়ম মেনে ক্লাস শুরু হয় তার উপরেও বিশেষ নজর থাকবে রাজ্যবাসীর।
