নিজস্ব সংবাদদাতা, নদীয়া: "আম পাতা জোড়া জোড়া মারবো চাবুক সরে দাঁড়া",তবে এক্ষেত্রে আম পাতা না হলেও নির্দল প্রার্থী দের প্রতীকী জোড়া পাতাই ভরসা। দলীয় প্রার্থীদের মতন সমানতালে দেওয়াল লিখন প্রচারকার্য চালাচ্ছেন তারাও। নদীয়ার দশটি পৌরসভার প্রায় প্রত্যেকটি পৌরসভা তাই এধরনের জোড়া পাতার দেখা মিলছে। তবে কৃষ্ণনগরে অত্যাধিক। এক নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী অমল কুমার মন্ডল কুড়ি বছর ধরে তৃণমূলের দুটি বুথ সভাপতি, এবং বেশ কয়েক বছর যাবৎ ওয়ার্ড সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার দাবি পাশের ৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকে যতন সরকারকে প্রার্থী করা হয়েছে এক নম্বর ওয়ার্ডে। এতে দীর্ঘদিন ধরে এই ওয়ার্ডে দলের কাজ করা তৃণমূল কর্মীদের অপমানিত করা হয়েছে, তাই কর্মী-সমর্থকদের অনুরোধে তিনি প্রার্থী হয়েছেন নির্দলে। যদিও এক নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর বিশ্ব ব্রত ঘোষ কে এবারের নির্বাচনে খুব বেশি দেখা যাচ্ছে না তাই নিয়ে বাড়ছে জল্পনা। যদিও অমলবাবু বললেন, সেটা তার ব্যক্তিগত ব্যাপার তবে তাকে সমর্থন জানিয়েছে জাতীয় কংগ্রেস। আর পাঁচটা দলীয় প্রার্থীদের মতই দেওয়ার লেখা বাড়ি বাড়ি প্রচার সবটাই শুরু করে দিয়েছেন ইতিমধ্যেই।
{link}
পৌরসভার সর্বশেষ ওয়ার্ড 24 নম্বরে শ্যামল মাহাতো অবশ্য তৃণমূলের সাথে অতীতের যোগাযোগ অস্বীকার করেন। যদিও শহর তৃণমূল কংগ্রেসের এসসি এসটি ওবিসি সেলের দায়িত্বসহ একাধিক তৃণমূলের কর্মসূচিতে তাকে দেখা গিয়েছিলো। তবে এক্ষেত্রেও জাতীয় কংগ্রেসের সমর্থন কে তিনি সাধুবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন এই ওয়ার্ড এর আগের বারে ও নির্দল প্রার্থী জয়লাভ করেছিলো, যদিও পরবর্তীতে তিনি তৃণমূলে যোগদান করেন। তবে জয় লাভের ব্যাপারে এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না। প্রতীক চিহ্ন জোড়া পাতা হিসাবে গাছের দুটি জোড়া পাতা প্রচারের সময় ভোটারদের উপহার দিচ্ছেন তিনি। এ বিষয়ে তিনি বলেন দরিদ্র কৃষক পরিবারের সন্তান হওয়ার কারণে প্রকৃতির উপরেই নির্ভর করে ভিন্ন স্বাদের অভিনব এই প্রচার ভোটারদের মনোরঞ্জনের জন্য ব্যবস্থা করেছি। আগামীতেও জনসভার মঞ্চ এবং ভোটকেন্দ্রের পথে গাছের পাতাই ব্যবহার করব।
