নিজস্ব সংবাদদাতাঃ আচ্ছা,এমন কোনো গ্রামের কথা কি আপনি কি শুনেছেন? যেখানকার বাসিন্দারা সবাই মৃৎশিল্পী!- হ্যাঁ, এমন গ্রাম সত্যিই আছে। বর্তমানে যাদের সুখ্যাতি আজ শুধু এই রাজ্যেই নয়,বিদেশের বাজারেও ছড়িয়ে পড়েছে। তাদের হাতের অনবদ্য টেরাকোটা শিল্প খ্যাতি পেয়েছে গোটা বিশ্বে। একবার ঘুরে আসা যাক সেই গ্রামে।
{link}
বাঁকুড়া, বিষ্ণপুর এর মত উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ এর প্রত্যন্ত একটি গ্রাম হাটপাড়া, এই গ্রামের টেরা কোটা শিল্পীরা আজ ভীষন ব্যাস্ত। ভারত সরকারের উদ্যোগে আধুনিক মানের একটি টেরাকোটার প্রশিক্ষণ নিতে। এই প্রশিক্ষণ শিবির আগামী তিন মাস ব্যাপী চলবে। জানা গিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে নেওয়া এই টেরাকোটা প্রশিক্ষণ শিবিরে ৪০ জন মহিলা ও পুরুষ টেরাকোটা শিল্পীরা প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। এই গ্রামের পুরুষ মানুষরা প্রথমে এই টেরাকোটার কাজ শুরু করেছিলেন। এরপর গৃহবধূরা স্বামীর কাজে সাহায্যের জন্য হাত লাগান। ধীরে ধীরে গ্রামের গৃহবধূরাও টেরাকোটার কাজ শিখতে শুরু করেন। বর্তমানে গ্রামের প্রতিটি গৃহবধূ এই শিল্পের সাথে যুক্ত। স্বাবলম্বী হয়েছেন তারাও। তাদের হাতের তৈরি টেরাকোটা শিল্প এখন রাজ্য থেকে দেশের পাশাপাশি বিদেশেও ছড়িয়ে পড়েছে। আর সেই কারণেই গ্রামের মহিলা থেকে শুরু করে পুরুষ প্রত্যেককেই টেরাকোটা নিয়ে আরও বেশি করে প্রশিক্ষণ দিতে কেন্দ্রীয় সরকার আয়োজন করেছে প্রশিক্ষণ শিবিরের। বর্তমানে সেই শিবিরে নিজেদের শিল্প সত্তাকে আরো বেশি করে ঝালিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন। উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ এর প্রত্যন্ত গ্রাম হাটপাড়ার টেরাকোটা শিল্পীরা আরও খ্যাতি আরও ছড়িয়ে পড়ুক বিশ্বজুড়ে, কারন তাদের সম্মানেই বাংলার সম্মান, তারাই আজ বাংলার গর্ব।
