দলে নিজের গুরুত্ব ও পদ খোয়াতে চলেছেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়? রাত পোহালেই অনুষ্ঠিত হবে বিজেপির কার্যকারিণী বৈঠক। বৈঠকে উপস্থিত থাকতে চলেছেন জেপি নাড্ডা। তবে সোমবার বিকেল পর্যন্তও বৈঠকের আমন্ত্রণপত্র পাননি কৈলাস বলে এক সূত্রের খবর। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এ রাজ্যে বিজেপির পর্যবেক্ষক ছিলেন কৈলাস। তার পরেও ভালো ফল করতে পারেনি দল, একুশের বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে পদ্মের। সেই কারণেই চাকরি খোয়াতে হচ্ছে তাঁকে বলে জোর জল্পনা বঙ্গের রাজনৈতিক মহলে।
{link}
সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে বাংলাকে পাখির চোখ করে কোমর কষে জয়ের লক্ষ্যে নামে বিজেপি নেতৃত্ব। লক্ষ্য ছিল বাংলার জয় করে সোনার বাংলা গড়া। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী এ রাজ্যে ২১টি সভা করেন। ছোট বড় মিলিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অংশ নেন ১২১টি কর্মসূচিতে। তার পরেও গোহারা হেরেছে বিজেপি। দিকে দিকে মুখ থুবড়ে পড়েছেন পদ্ম প্রার্থীরা। গেরুয়া শিবিরে যখন কেবলই হতাশার ছবি, তখন উল্লাসে মেতেছেন তৃণমূল নেতা-কর্মী-সমর্থকরা। তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রিত্বের পদে বসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের সেই বিপর্যয়ের দায় গিয়ে পড়েছে পর্যবেক্ষক কৈলাসের ওপর।
{link}
মঙ্গলবার সকাল ১১টায় বসছে বিজেপির কার্যকারিণী সভা। সভায় উপস্থিত থাকার জন্য চিঠি গিয়েছে সাংসদ, বিধায়ক এবং রাজ্য কমিটির সদস্যদের কাছে। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে জেলা সভাপতিদেরও। বৈঠকে ভার্চুয়ালি উপস্থিত থাকবেন জেপি নাড্ডা সহ বিজেপির কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা। বক্তার তালিকায় এঁদের নাম থাকলেও, নাম নেই কেবল কৈলাসের। বিজেপির একটি সূত্রের দাবি, মঙ্গলবারের বৈঠকে কৈলাসের ওপর ক্ষোভ উগরে দেবেন দলের একটা বড় অংশ। তাঁকে সরানোর জোরাল দাবিও উঠবে। ওই বৈঠকে তাঁকে সরানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হতে পারে। তাই সচেতনভাবেই কৈলাসকে বৈঠকে রাখেননি গেরুয়া শিবিরের শীর্ষ নেতৃত্ব। তবে কি এবার সত্যিই দল থেকে নিজের গুরুত্ব হারাতে চলেছেন পদ্মের এই দাপুটে নেতা?
