লক্ষ্য ছিলো ২০০ পার, স্লোগান ছিল, উনিশে হাফ, একুশে সাফ; কিন্তু দুই মুখের কথা রয়ে গেছে মুখেই। যার ফলে পূরণ হয়নি বঙ্গ বিজয়ের স্বপ্ন। যে স্বপ্ন বহু বছর ধরে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সময় থেকে লালন করছে আরএসএস। একুশে হাওয়া অনুকূলে থাকা সত্ত্বেও করায়ত্ত্ব হয়নি বাংলার রাশ। ঘাসফুল ঝড়ে কার্যত উড়ে গেছে পদ্ম। সূত্রের খবর, সেই কারণে বঙ্গ বিজেপিতে বড়সড় রদবদল ঘটাতে চলেছেন আরএসএস কর্তৃপক্ষ। রাজ্য বিজেপির গুরুত্বপূর্ণ পদে এসেছেন এরকম বেশ কয়েকজন নেতাকে ফের সংঘের প্রচারের কাজে লাগানো হতে পারে। এঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন হেভিওয়েটের থাকার সম্ভাবনা উঠে আসছে।
{link}
একুশের বিধানসভা নির্বাচনে ২০০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছিলেন বিজেপি নেতৃত্ব। যদিও লক্ষ্যমাত্রার ধারেকাছেও পৌঁছতে পারেনি গেরুয়া শিবির। এতেই ক্ষুব্ধ আরএসএস। তাঁদের মতে, এবার বাংলার হাওয়া গেরুয়ার পক্ষেই ছিল। তা সত্ত্বেও স্বপ্ন অপূরিতই থেকে গেল স্রেফ নেতাদের পারফরম্যান্সের জন্য। সেই কারণেই আরএসএসের পাশাপাশি রদবদল হচ্ছে বিজেপিতেও।
সাংগঠনিক এই রদবদলের আরও একটা কারণ রয়েছে। সূত্রের খবর, আরএসএস থেকে বিজেপিতে পা রাখা কিছু নেতার বিরুদ্ধেও একাধিক অভিযোগ উঠেছে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে। এতে নষ্ট হয়েছে দলের ভাবমূর্তি। তাঁদেরও ফেরানো হচ্ছে সংগঠনে।
{link}
২০২৪ লোকসভা নির্বাচন। তাই চাঙা করা হচ্ছে বঙ্গ বিজেপিকেও। আরএসএস নেতা বিদ্যুৎ মুখোপাধ্যায়কে বিশেষ পদে বসানো হতে পারে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সর্বভারতীয় সহ সভাপতি শচীন্দ্রনাথ সিনহাকেও দেওয়া হতে বঙ্গ বিজেপির বড় কোনও দায়িত্ব।
একুশে দলবদলুদের উপর আস্থা রাখাতেই মাঝপথে জয়রথ আটকে পড়েছে বলেই ধারনা বহু রাজনীতিবিদের। তার এবার অন্যের তৈরি অস্ত্র ধার করে নয়, নিজ অস্ত্রেই ভরসা করে ভবিষ্যতের লড়াইয়ের ময়দানের জন্য সৈন্য সাজাতে শুরু করেছে বিজেপি। সামনের যুদ্ধে এই পরাজয়, জয়ে পরিবর্তন হবে কি?
