কয়েকদিন পূর্বেই রাজ্য সভাপতি বদল করে বড়ো চমক দিয়েছিল রাজ্য বিজেপি। একুশের ফল ভালো না হওয়ায় সারা দেশেই ভাবমূর্তি কিছুটা হলেও আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে বিজেপির। কিন্তু শুধুমাত্র রাজ্য সভাপতি বদল করেই এখনও নিশ্চিত হয়নি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব, তাই ভবিষ্যতে ঘুরে দাঁড়াতে বঙ্গ বিজেপিতে ফের হচ্ছে বড়সড় রদবদল! গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, পর্যবেক্ষকের পদ থেকে সরতে পারেন কৈলাস বিজয়বর্গীয় এবং শিবপ্রকাশকে। দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বিএল সন্তোষকে। গেরুয়া সংগঠন পোক্ত করার পাশাপাশি আরএসএসের সংগঠন মজবুত করাও লক্ষ্য বিজেপির। এই দায়িত্ব বর্তাতে পারে সুব্রত চট্টোপাধ্যায়ের ওপর।
{link}
একুশের বিধানসভা নির্বাচনে ২০০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করেছিলেন গেরুয়া নেতৃত্ব। সে লক্ষ্য পূরণ হয়নি। লক্ষ্যমাত্রার এক তৃতীয়াংশ আসন নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে বিজেপিকে। এর পরেই হতাশ জীবনে আশার আলো খুঁজতে গেরুয়া শিবির ছেড়ে তৃণমূলে গিয়েছেন বেশ কয়েকজন নেতা। দলের নিচুতলায়ও ভাঙন অব্যাহত। এমতাবস্থায় দল ধরে রাখাই চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায় গেরুয়া নেতৃত্বের কাছে। দ্রুত বদলে ফেলা হয় সভাপতি। ‘প্রবীণ’ দিলীপ ঘোষকে সরিয়ে ওই পদে বসানো হয় তাজা শোনিতের সুকান্ত মজুমদারকে।
তবে শুধু সভাপতি বদলেই রণে ক্ষান্ত দিচ্ছেন না বিজেপি নেতৃত্ব। একুশের ভোটে ব্যর্থতার কারণে পর্যবেক্ষকের পদ থেকে সরানো হতে পারে কৈলাস বিজয়বর্গীয় ও শিবপ্রকাশকে। সাংগঠনিক বিষয় দেখাশোনার দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বিএল সন্তোষকে। তবে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক হিসেবে থেকে যাচ্ছেন অমিত মালব্য।
{link}
আরএসএসের সংগঠন বিস্তারও লক্ষ্য গেরুয়া নেতৃত্বের। তাই আরএসএসে ফেরানো হতে পারে সুব্রত চট্টোপাধ্যায়কে। এক সময় আরএসএস নেতা সুব্রত চট্টোপাধ্যায় বিজেপির সাধারণ সম্পাদক(সংগঠন) ছিলেন। টানা সাত বছর রাজ্য বিজেপির ওই পদেই বহাল ছিলেন তিনি।
{link}
বিজেপি সূত্রে খবর, কৈলাস ও শিবপ্রকাশকে সরিয়ে নতুন মুখ আনছে বিজেপি। ২০২৪ লোকসভা নির্বাচন। তার আগেই নিজেদের ঘর পুনরায় মজবুত করে গুছিয়ে নিতে চাইছে গেরুয়া নেতৃত্ব। কারন একুশের এই ধাক্কা চব্বিশের আগে সামলে উঠতে না পারলে লোকসভা নির্বাচনে বঙ্গের মাটিতে চিন্তায় পড়তে হতে পারে বিজেপির শিবিরকে।
