ভবানীপুর উপনির্বাচনের ফল ঘোষণা আজ। ইতিমধ্যেই বিপুল ভোটে এগিয়ে রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।তাহলে কি নন্দীগ্রামে হারের জ্বালা হয়তো এবার জুড়োবে তৃণমূল নেত্রীর? ভবানীপুর উপনির্বাচনে বিপুল ভোটে জিততে চলেছেন তিনি। ২০২১এর বিধানসভা নির্বাচনে তার প্রাক্তন সতীর্থ শুবেন্ধু অধিকারীর কাছে দু হাজার ভোটে হেরে যান মমতা বন্ধোপাধ্যায়।এই ভবানিপুর উপনির্বাচনের যেহেতু তিনি জয়ী হচ্ছেন, তাই মুখ্যমন্ত্রীর পদ খোয়াতে হচ্ছে না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
{link}
২০১১র উপনির্বাচন এবং তার পরের বিধানসভা ভোটে ভবানীপুরেই প্রার্থী হয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে প্রার্থী হন তিনি। ওই ভোটে তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। কিছুদিন আগেও যিনি সতীর্থ ছিলেন মমতার। শুভেন্দুর কাছে হাজার দুয়েক ভোটে হেরে যান তৃণমূল সুপ্রিমো। তাঁকে জায়গা দিতেই বিধায়ক পদে ইস্তফা দেন ভবানীপুরের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সেই কারণেই সেপ্টেম্বরের শেষ দিনে ভবানীপুরে হয় উপনির্বাচন।
নন্দীগ্রামে একদা সতীর্থ শুভেন্দুর কাছে পরাজয় মেনে নিতে পারেনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতেই কোমর কষে ভোটের প্রচারে নেমে পড়েন তাঁরা। যেহেতু আগে থেকেই ঠিক ছিল ওই কেন্দ্রে প্রার্থী হবেন মমতা, তাই প্রার্থী বাছাই করতে গিয়ে সময় নষ্ট করেনি জোড়াফুল শিবির। ভোট ঘোষণার পরে পরেই দেওয়ার লিখন করতে শুরু করে দেন তাঁরা। শুরু হয়ে যায় প্রচারও। দলনেত্রীকে রেকর্ড ভোটে জেতাতে মরিয়া তৃণমূল নেতৃত্ব কর্মিসভার পাশাপাশি শুরু করে দেন দুয়ারে দুয়ারে প্রচার। যার জেরে রেকর্ড ভোটে জিততে চলেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
{link}
ভবানীপুরের কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী অবশ্যই বিজেপি। এই বিজেপিও চেয়েছি্ল নন্দীগ্রামের মতো ভবানীপুরেও মমতাকে ধরাশায়ী করতে। তাই উপযুক্ত প্রার্থী খুঁজতে সময় নেয় গেরুয়া শিবির। শেষমেশ বেছে নেওয়া হয় তরুণ আইনজীবী প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়ালকে। তবে মমতার রকেট গতির সামনে দাঁড়াতে পারেননি তিনি। ধরাশায়ী হতে চলেছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর পদ ধরে রাখতে এই অপরিহার্য ছিল। বিজেপির তরুন আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা তিব্রেওালকে বিপুল ভোটে হারাতে চলেছেন মমতা বন্ধোপাধ্যায়।

