Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 15/10/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

দলের সমস্ত খেলায় শেষ বাঁশি তারই, আবারও স্পষ্ট করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

Loading... রাজ্য
দলের সমস্ত খেলায় শেষ বাঁশি তারই, আবারও স্পষ্ট করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
#news #Politics #Mamata Banerjee #Abhishek Banerjee #Tripura #election #Trinamool Congress #TMC #West Bengal #India #রাজনীতি #সংবাদ

কর্মীদের ও শীর্ষ নেতৃত্বের পর দলে তিনিই যে শেষ কথা, তা আরও একবার বুঝিয়ে দিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের সম্পূর্ন রাশ আজও রয়েছে তার হাতেই। রবিবার ত্রিপুরায় গিয়ে তৃণমূলে যোগ দেন ডোমজুড়ের প্রাক্তন বিধায়ক রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেওয়ার সময় মঞ্চে হাজির ছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যা দেখে ওয়াকিবহাল মহলের ধরণা, এসবই হয়েছে দলনেত্রীর জ্ঞাতসারেই। সেটা হওয়াই তো স্বাভাবিক। তার নির্দেশ না মিললে দলে প্রবেশের রাস্তা আদৌ খুলত নাকি? 

{link}
তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে গিয়েছিলেন বিধাননগর পুরসভার মেয়র জোড়াফুল শিবিরের সব্যসাচী দত্ত। একুশের ভোটে বিজেপি হারার পরেও তিনি ছিলেন বিরোধী শিবিরেই। মুকুল রায় বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরতেই প্রস্তুতি শুরু করে দেন সব্যসাচী। তবে তাঁকে দলে ফেরাতে ঘোর আপত্তি করেন দমদম ও বিধাননগর এলাকার তৃণমূল নেতারা। এঁদের মতে, একুশের ভোটের আগে আগে দল ছেড়েছিলেন সব্যসাচী। তার আগে দলকে নানাভাবে অপদস্থ করেছেন। তাই তাঁকে তৃণমূলে ফেরানো হবে না। 

{link}
যদিও সব্যসাচীকে দলে ফেরাতে এক প্রকার সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছিলেন তৃণমূল নেতৃত্ব। দলের তরফে এ ব্যাপারে বার্তাও পাঠিয়ে দেওয়া হয় সুজিত বসু ও তাপস চট্টোপাধ্যায়কে। জানিয়ে দেওয়া হয়, সব্যসাচী দলে এলে সুজিত কিংবা তাপস যাতে প্রকাশ্যে তাঁর বিরোধিতা না করেন, তাঁর সঙ্গে যাতে শত্রুতা প্রকাশ না করেন। এর পর বিধানসভার অঙ্গনেই জোড়াফুল শিবিরে যোগ দেন সব্যাসাচী। 


ধোপে টেকেনি রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে তৃণমূলে ফেরানোর আপত্তিও। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে গিয়ে ডোমজুড় বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী হন রাজীব। গোহারা হারেন তিনি। এর পরেই প্রস্তুতি শুরু করে দেন তৃণমূলে ফেরার।

{link}
রাজীবের তৃণমূলে ফেরা আটকাতে উদ্যোগী হন হাওড়ার তৃণমূল নেতাদের একটা বড় অংশ। হাওড়ার বর্ষীয়ান নেতা অরূপ রায় তো বটেই, হুগলির সাংসদ তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও বাধার প্রাচীর হয়ে দাঁড়ান। ডোমজুড় বিধানসভা কেন্দ্র এলাকায় রাজীবকে দলে ফেরানোর প্রতিবাদে মিছিলও হয়। রাজীবকে ফেরানো হলে দলের ভালো হবে না লেখা পোস্টারও নাকি দেখা গিয়েছিল ওই মিছিলে। এতদসত্ত্বেও এদিন ত্রিপুরায় অভিষেকের সভায় যোগ দেন রাজীব। দলের নেতা কিংবা কর্মী কারও কোনও আপত্তিই ধোপে টেকেনি। টেকেনি রাস্তায় নেমে কর্মীদের করা বিরোধও। এতোএব একথা স্পষ্ট যে আজও এই মুহূর্তে ঘাসফুল শিবিরে দলের সর্বাধিপতি একজনই, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

সর্বশেষ আপডেট: