নন্দীগ্রাম মামলায় জরিমানার মুখে মুখ্যমন্ত্রী। ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এবং এর পাশাপশি জরিমানা ধার্য করেই এই মামলা থেকে সরে দাঁড়ান বিচারপতি কৌশিক চন্দ। মুখ্যমন্ত্রীর জরিমানার খবর শুনেই আজ, বুধবার ফের টুইট করে বিচারপতিকে কটাক্ষ করেছেন তৃণমূলের ডেরেক ও ব্রায়েন।
লড়াইয়ের ময়দানে সবাইকে চমকে দিয়ে একুশের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে তৃণমূলের প্রার্থী হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই কেন্দ্রে পদ্ম প্রতীকে দাঁড়িয়েছিলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। হাজার দুয়েক ভোটে মমতাকে পরাজিত করেন শুভেন্দু। তারপরেই শুরু হয় বিতর্ক। ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হন মমতা। সেই মামলা থেকেই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি কৌশিক। তার আগে অবশ্য মমতার ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছেন তিনি।
{link}
কিন্তু ঠিক কী কারণে জরিমানা দিতে হবে মমতাকে? আদালত সূত্রের খবর, দিন কয়েক আগে বিচারপতি কৌশিক চন্দের সঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন তৃণমূলের ডেরেক ও ব্রায়েন। বিজেপি ঘনিষ্ঠতা নিয়ে টুইট করেছিলেন সাংসদ তৃণমূলের মহুয়া মৈত্রও। আদালতের বাইরে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন আইনজীবীরা। ভার্চুয়াল শুনানিতে স্বয়ং মমতা বলেছিলেন, আপনি বিজেপি ঘনিষ্ঠ। এসব কারণেই জরিমানা করা হয় মমতার।
এদিন রায় শুনে ফের টুইট করেন ডেরেক। তিনি লেখেন, আমরা এমন একটা পৃথিবীতে বাস করি যেখানে সত্য বলার জন্য গুণাগার দিতে হয় ৫ লক্ষ টাকা। তার পরেই লেখেন, আমরা এমন এক পৃথিবীতে বাস করি যেখানে মিথ্যা প্রচার ও মিথ্যা মিলেমিশে একাকার। এর প্রাইস মূল্য ফ্রি। নীচে লিখেছেন, রেফারেন্স পেয়েছেন? তারও নীচে লেখা, মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়। ইঙ্গিত স্পষ্ট এখন কোনভাবেই পরাজয় স্বীকার করতে রাজি নয়। বিজেপির এখন যে কোন ক্ষেত্রে যোগসূত্র পেলেই তাকে নিজদের অস্ত্র তৈরি করতে প্রস্তুত ঘাসফুল শিবির।
