নিজেদের একুশের জনসভায় এবার বড়োসড়ো চমক আনতে চলেছে তৃণমূল। যে চমক শুধুমাত্র রাজ্য নয়, তার পাশাপশি কেন্দ্রের রাজনৈতিক পরিবেশেও ঝড় তুলতে পারে। একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবসেই বিজেপির গড় ভাঙছে ত্রিপুরায়! এহেন এক সম্ভাবনার কথাই তৃণমূলের একটি সূত্রেই মাধ্যমে পাওয়া গেছে। এদিন একঝাঁক বিজেপি নেতা তৃণমূল নেত্রীর ভার্চুয়াল সভায় হাতে তুলে নিতে পারেন ঘাসফুল আকাঁ ঝান্ডা। যার জেরে ত্রিপুয়ার অচিরেই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে বিপ্লব দেবের গড়ের!
ঘাসফুল ফোটাতে ত্রিপুরা যাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়! ঘাসফুল শিবির সূত্রে খবর, অগষ্টের প্রথম সপ্তাহেই আগরতলার উড়ান ধরতে পারেন অভিষেক। তার দিন কয়েক আগেই দিল্লি সফর করে ফিরবেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরেই অভিষেক যাবেন বিপ্লব দেবের রাজ্যে। অর্থাৎ কিছু এক পালাবলদলের প্লট তো তৈরি হচ্ছেই।
তৃতীয়বারের জন্য রাজ্যের কুর্সিতে তৃণমূল ফেরায় দলের যুব নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মন্ত্রী হতে পারেন বলে জল্পনা ছড়ায়। সেই জল্পনায় জল ঢেলে দিয়ে অভিষেক জানিয়ে দেন সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে তৃণমূলকে প্রতিষ্ঠা করতে চান তিনি। তাই মন্ত্রী তিনি হবেন না। এর পরেই অভিষেকের ইচ্ছেকে মান্যতা দিয়ে তৃণমূল নেতৃত্ব তাঁকে অভিষিক্ত করেন সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের পদে। তার পর থেকে সংগঠন বাড়ানোর কাজেই কার্যত প্রাণপাত করছেন অভিষেক।
{link}
তবে অভিষেক যাবেন অগষ্টে। তার আগে রয়েছে তৃণমূলের শহিদ দিবস। একুশ তারিখের ওই ভার্চুয়াল সভায় ত্রিপুরা বিজেপি থেকে অনেকেই তৃণমূলে যোগ দেবেন বলে ঘাসফুল শিবির সূত্রে খবর। দিন কয়েক আগেই বিজেপি ছেড়ে বিপ্লব দেবের রাজ্যে প্রায় পনের হাজার নেতা-কর্মী তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। মুকুল ঘনিষ্ঠ সুদীপ রায়বর্মণ যদি ওই দিন তৃণমূলে যোগ দেন তাহলে তাঁর সঙ্গে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দেবেন আরও অনেকে। আর তাহলে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে বিজেপির সাধের ঘর! ত্রিপুরেশ্বরীর রাজ্যের রশি হাতছাড়া হবে বিপ্লব দেবের!
এবং এর বিপুল প্রভাব পড়বে ২৪-এর লোকসভার লড়াইয়েও। এই জল্পনা সত্যি হলে ভারতের বুকে নিজেদের শক্তি আরও অনেকটা বৃদ্ধি করে ফেলবে তৃণমূল। যা হোক কখোনই চাইবেন না বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বেরা। বিরোধী পক্ষের শক্তি বৃদ্ধি সব সময়েই অস্বস্তি এনে দেয় যে কোন শিবিরে। সেই দিক থেকে এখন সকলেরই লক্ষ্য থাকবে ঘাসফুলের একুশের ভার্চুয়াল জনসভায়।
.jpeg)
