নিজস্ব সংবাদদাতা, পূর্ব মেদিনীপুর: মজে যাওয়া খাল সংস্কারের দাবিতে ৮ টি গ্রামের বাসিন্দাদের জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ। বিক্ষোভের জেরে ব্যাপক যানজট হলদিয়া মেচেদা ৪১ নং জাতীয় সড়কে নন্দকুমার থানা কামারদা বাসস্ট্যাণ্ড সংলগ্ন এলাকায়। ঘটনার খবর পেয়ে পৌছায় নন্দকুমার থানার পুলিশ। তবে প্রথমে পুলিশের কয়েকজন প্রতিনিধি গিয়েও পরিস্থিতি ঠাণ্ডা করতে সক্ষম হয়নি। উত্তেজনা বাড়তে থাকায় ঘটনাস্থলে নামানো হয় নন্দকুমার থানার আরও বিশাল পুলিশ বাহিনী। যতক্ষন না ডিএম বা বিডিও নিজে এসে আশ্বাস দিচ্ছেন, ততক্ষন পর্যন্ত বিক্ষোভ তুলে নিতে নারাজ বিক্ষোভকারী জনতা। তবে তার কিছুক্ষন পর পুলিশের আশ্বাসে বিক্ষোভ তুলে নেয় বিক্ষোভকারীরা। কিছুক্ষনের মধ্যেই স্বাভাবিক হয়ে পড়ে যান চলাচল।
{link}
সূএের খবর, দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নারায়ণপুর কালিকাপুর থেকে কামারদা পর্যন্ত খাল সংস্কার হয়নি। এর ফলে চাষের ক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন বেশ কয়টি গ্রামের বাসিন্দারা। একাধিকবার প্রশাসনকে জানিয়েও কোন সূরহা মেলেনি। অবশেষে আটটি গ্রামের বাসিন্দারা একজোট হয়ে হলদিয়া মেচেদা ৪১ নং জাতীয় সড়কে নন্দকুমার থানা কামারদা বাসস্ট্যাণ্ড সংলগ্ন এলাকায় অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায়। ব্যাপক যানজট তৈরি হয়। আটকে পড়ে একাধিক পণ্য বোঝাই লরি ও যাত্রীবাহী বাস। দ্রুত ঘটনস্থলে এসে উপস্থিত হয় নন্দকুমার থানার পুলিশ। উত্তেজিত হয় পড়েন গ্রামবাসীরা। পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। গ্রামবাসীদের বুঝিয়ে অবরোধ তুলে দেয় নন্দকুমার থানার পুলিশ। তারপরে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।
{link}
অবরোধকারী বলরামপুর গ্রামের বাসিন্দা চন্দন দোলাই বলেন " দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে কালিকাপুর মুজে যাওয়া খাল সংস্কার হয়নি। বিগত দিনে পুকুর বা কিছুটা জোয়ারের জলে চাষ হতো। এ বছরও তা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। এনিয়ে একাধিকবার বিডিও, জেলাশাসক ও পঞ্চায়েত প্রধান থেকে সদস্যদের জানিও কোন সূরহা মেলেনি। আরও অভিযোগ খালপাড় থেকে ১৭ লক্ষ টাকা গাছ কাটা হয়েছে। কিন্তু খালপাড়ে কোন মাটি তোলা হয়নি। টাকাগুলো কোথায় গেল তাও জানি না" নন্দকুমার থানার ওসি মনোজ কুমার ঝাঁ বলেন " জাতীয় সড়কের অবরোধ ঘটনা জানতে গেলে ঘটনা স্কুলে পৌঁছায়। গ্রামবাসীদের বুঝিয়ে অবরোধ তুলে দেওয়া হয়েছে। গ্রামবাসীদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, দ্রুত খাল সংস্কারের জন্য। ঘটনাটি তমলুক মহাকুমা শাসক ও সেচ দপ্তরে বিষয়টি জানানো হয়েছে "।
