নিজস্ব সংবাদদাতা, হুগলীঃ এলাকায় প্রাক্তন শিক্ষা মন্ত্রীকে নিয়ে প্রায় যাতায়াত, সাধারণ মানুষকে ধমকিয়ে চমকিয়ে নিজের প্রতিপত্তি জাহির, দুর্গের মত মামার বাড়ির কিছুটা দূরেই আলাদা একটি বাড়ি, শহরের সীমানা ছাড়িয়ে হুগলিতেও একইভাবে প্রভাব বিস্তার করেছিল অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। এমনকী পর্যাপ্ত শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও ভাইয়েদের একের পর এক চাকরি অর্পিতাই করে দিয়েছিল বলে সাধারণ মানুষের অভিযোগ। ইডির হাতে মডেল অভিনেত্রীর গ্রেপ্তারির পর কার্যত ক্ষোভে ফুঁসছে মথুরাবাটি গ্রাম।
{link}
হুগলির জাঙ্গিপাড়া থানা এলাকার দিলাকাশ পঞ্চায়েতের অন্তর্গত একটি গ্রাম মথুরাবাটি। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, রাস্তার সামান্য পানীয় জলের কল নিয়েও অর্পিতা দম্ভ জাহির করে এসেছে। এলাকার মানুষ যে কলের উপর নির্ভরশীল সেই কল তার গাড়ি যাতায়াতের জন্য প্রতিপত্তি খাটিয়ে তুলে দিয়েছিলেন মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ অভিনেত্রি। তাদের আরো দাবি, মাস তিনেক আগে মামার বাড়ি থেকে অনতিদূরে একটি একতলা নতুন বাড়ি তৈরি করেছিল অর্পিতা। সেখানে মাঝেমধ্যেই পার্থ চট্টোপাধ্যায় কে নিয়ে আসতো সে। প্রতিবছর তার মামা তপন চক্রবর্তীর বাড়ির পুজাই অর্পিতার সাথেই আসতো প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রি, দিনভর সেখানে সময় কাটাতেন পার্থ বাবু। মামার দুই ছেলের চাকরীও তার বদান্যতাতেই হয়েছে বলে দাবী এলাকাবাসীর। মামার বাড়ি থেকে কিছুটা দুরে নিজস্ব একটি বাড়িও তৈরী করেছেন অর্পিতা, মাঝেমধ্যেই সেখানে তিনি মন্ত্রিকে নিয়ে আসতেন বলে জানাচ্ছে এলাকাবাসী। সারাদিন থাকার পর ফের চলেও যেত তারা। সামান্য মধ্যবিত্ত বাড়ির মেয়ে এতো দম্ভ দেখে কার্যত অবাকই হয়েছিলেন তারা। এমনকি যখন তারা আসতেন তাদের সাথে বিপুল পরিমানে পুলিশ থাকার কারনে স্থানীয়েরা তাকে ভয়ও করতেন। কিন্তু এখন খবরের হেডলাইনে এই সমস্ত ঘটনা দেখে কার্যত সেই ভয় পরিনত হয়েছে ক্ষোভে। তার কঠিন শাস্তির দাবী করছেন সকলেই।
