বাংলার রাজনীতিতে বিজেপিতে ক্রমেই জোরালো হচ্ছে মতুয়া ইস্যু! কার্যত রাজনৈতিক খবরের একেবারে শিরোনামে উঠে এসেছে এই বিষয়টি। সূত্রের খবর, ঘটনার জেরে দল ছাড়তে পারেন বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। কেবল শান্তনু নন, আরও বেশ কয়েকজন মতুয়া নেতা বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন। তবে ইঙ্গিত মিললেও এ ব্যাপারে অবশ্য রা কাড়েননি মতুয়া নেতারা।
সম্প্রতি রদবদল হয়েছে বিজেপির রাজ্য কমিটিতে। ওই কমিটিতে ঠাঁই হয়নি একজন মতুয়ারও। তার জেরে ক্ষোভ পুঞ্জীভূত হয়েছিলে বিজেপির অন্দরে। এর পরেই বিজেপির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে যান পাঁচ মতুয়া বিধায়ক। সোমবার গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে যান শান্তনু। ভবিষ্যৎ রণকৌশল স্থির করতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিদ্রোহী বিধায়কদের নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসেন শান্তনু।
{link}
শান্তনুর উদ্যোগে আয়োজিত ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন গাইঘাটার বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর, অসীম সরকার, অশোক কীর্তনীয়া এবং মুকুটমণি অধিকারী। উপস্থিত ছিলেন মতুয়া সম্প্রদায়ের এক প্রতিনিধিও। এদিন বৈঠক শেষে মুকুটমণি জানান, কয়েকটি দাবি নিয়ে এদিনের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। এগুলি হল, বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা ও নদিয়া দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি পরিবর্তন, নবদ্বীপ জোনের পর্যবেক্ষক পরিবর্তন, মতুয়া সম্প্রদায়ভুক্ত একজনকে নিয়োগ করতে হবে রাজ্য বিজেপির সহ সভাপতি পদে।
{link}
এ রাজ্যের প্রায় ৮৩টি আসনে মতুয়া ভোট বড় ফ্যাক্টর। প্রত্যাশিতভাবেই মতুয়া মন জয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে সব দলই। তাই এই পাঁচ বিধায়ক এবং শান্তনু যদি দল ছাড়েন, তাহলে গেরুয়া শিবিরে বিপদ বাড়বে বই কমবে না। এবং এর পাশাপাশি তার তৃণমূলে যোগদান করা নিয়েও শুরু হয়েছে জল্পনা। যার ফলে শেষ পর্যন্ত এখন কোন দিকে হাওয়া বইবে তা বুঝে ওঠা কঠিন।
{ads}