নিজস্ব সংবাদদাতাঃ জল্পনার অবসান, শুরু থেকেই রাজ্যের বিরোধী দলগুলি এসএসসি দুর্নীতিতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাম জড়ানোর পর থেকেই তার মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগের দাবী করেছিলেন। বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তারের ৬ দিন পর মন্ত্রিত্ব থেকে অপসারিত করা হল পশ্চিমবঙ্গের শিল্পমন্ত্রীকে। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের দিকে নজর ছিল গোটা রাজ্যের। এসএসসি দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার হয়ে ইডি হেফাজতে থাকা পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে কি মন্ত্রিত্ব থেকে সরাবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? না কি রেখে দেবেন? প্রথমট জল্পনাই সত্যি হয়। পার্থকে সরকারর সব দায়িত্ব থেকে সরিয়েই দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চারটি দপ্তরের দায়িত্ব থেকেই সরানো হল তাঁকে। পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়ের বদলে আপাতত সেই চারটি দপ্তরের মন্ত্রিত্ব সামলাবেন মুখ্যমন্ত্রী নিজেই। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে নবান্নের তরফে লিখিত বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। যদিও পার্থবাবুর অপসারণ নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের বক্তব্য” আমাদের দল কঠোর। আমরা পার্থ চ্যাটার্জিকে মন্ত্রিত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছি।”
{link}
প্রথমে অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের টালিগঞ্জের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয় একুশ কোটি টাকা। এই ঘটনার পরে তৃণমূল কংগ্রেস সাংবাদিকদের সামনে বিবৃতি দেওয়া হয়, কোন দুর্নীতির সাথে জড়িত ব্যাক্তিদের সমর্থন করে না তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের আইনি ব্যবস্থার উপরেও সম্পূর্ন আস্থা রয়েছে। দ্রুত ইডিকে তদন্ত শেষ করার আবেদন জানায় তৃণমূল। কিন্তু গতকাল অর্পিতার বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয় ফের আনুমানিক তিরিশ কোটি টাকা। সেই নথি প্রকাশ্যে আসার পরেই আরও জটিল হয় পরিস্থিতি। মান বাঁচাতে আজ দুপুরেই মন্ত্রীসভার বৈঠক হয়। তারপরেই প্রকাশ্যে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে পার্থকে মন্ত্রিত্ব থেকে অপসারনের কথা। যদিও তৃণমূলের দলীয় পদ থেকে এখনও অপসারিত করা হয়নি পার্থকে। এখন তৃণমূল দলের পক্ষ থেকেও একইভাবে তাকে অপসারিত করে দেওয়া হয় কি না, তাই দেখার বিষয়। আজ রাতের মধ্যেই হত নেমে আসতে পারে খাঁড়ার ঘা।
