গত বাইশ বছর ধরে, বাম আমল থেকে ক্লাবের সদস্যরা ঘটা করে দুর্গাপুজো করে আসছেন। কাঁথি শহরে যে কটি নামকরা পুজো হয় তার মধ্যে ওপরের দিকে থাকে চৌরঙ্গী রিক্রিয়েশন ক্লাবের দুর্গাপুজো। জাঁকজমকের পাশাপাশি দুঃস্থদের সাহায্য সবেতেই এগিয়ে এই ক্লাব। বছরভর নানা সমাজসেবা মূলক কাজও করেন এই ক্লাবের সদস্যরা। ক্লাব সভাপতি হিসেবে আছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। এই সভাপতির পদ থেকে সরাতে হবে শুভেন্দু অধিকারীকে। তবেই মিলবে দুর্গাপুজোর অনুমতি! সেচ দফতরের তরফে নাকি এমনই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি শহরের চৌরঙ্গী রিক্রিয়েশন ক্লাবের পুজো উদ্যোক্তাদের। তবে শুভেন্দুকে আপাতত কোনওভাবেই সরাতে চাইছেন না ক্লাব কর্তৃপক্ষ। তার বদলে তাঁরা প্রস্তুতি নিচ্ছেন আদালতে যাওয়ার।
{link}
বাম আমলে শুরু হওয়া পুজো হত ওই জমিতেই। বছর কয়েক আগে থেকে চৌরঙ্গীর সেচ দফতরের একটি জমিতে হয়। গত বছরও পুজোর অনুমতি পেতে ক্লাব কর্তৃপক্ষের কোনও অসুবিধা হয়নি। ক্লাব সূত্রে খবর, এবারও প্রথমে কোনও সমস্যা হয়নি। সেচ দফতরের ওই জমিতেই মিলেছিল পুজোর অনুমতি। দিন কয়েক আগে সেচ দফতরের এক কর্তা অনুমতিপত্রে কিছু সংশোধন করতে হবে সেটি চেয়ে নেন। পরে আর তা ফেরত দেননি বলে অভিযোগ।
{link}
পরে ওই দফতরের তরফে জানানো হয়, শুভেন্দুকে ক্লাবের সভাপতি পদ থেকে না সরালে পুজোর অনুমতি দেওয়া যাবে না। এতেই ক্ষুব্ধ ক্লাবের পুজোর উদ্যোক্তারা। ক্লাবের সম্পাদক তুষারকান্তি দাস বলেন, ওই জমিতে পুজো হচ্ছে বাম আমলে যখন সুভাষ নস্কর সেচমন্ত্রী ছিলেন, সেই সময় থেকে। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কেউ চাইলেই তো আর সভাপতি বদলে দেওয়া যায় না। ক্লাবের সাধারণ সভা হবে জানুয়ারি মাসে। তার আগেই শুভেন্দুবাবুকে সরিয়ে দেওয়াটা অনৈতিক এবং অবৈধ। অনুমতি পেতে পুজোর উদ্যোক্তারা খুব শীঘ্রই দ্বারস্থ হচ্ছেন হাইকোর্টের। হাইকোর্ট থেকে পুজর অনুমতি মিল্বে কিনা এতাই দেখার।
