সৌজন্যে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন,কুখ্যাত দুষ্কৃতীর তালিকায় নাম উঠে এলো এক ঝাঁক তৃণমূল নেতার। উল্লেখযোগ্যভাবে ভোট পরবর্তী হিংসার পরিপ্রেক্ষিতে কমিশনের দাখিল করা রিপোর্টেই উঠে এসেছে এহেন বিস্ফোরক তথ্য। যে তালিকায় নাম রয়েছে রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের বেশ কয়েজন পরিচিত মুখের। উল্লেখযোগ্যভাবে কমিশনের তালিকায় নাম রয়েছে রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, শেখ সুফিয়ান, উদয়ন গুহ সহ এক ঝাঁক তৃণমূল নেতার।
{link}
কমিশনের দাখিল করা রিপোর্টে বলা হয়েছে, রাজ্যে আইনের শাসন নেই। শাসকের ইচ্ছাই এখানে আইন। একাধিক হিংসার ঘটনার উল্লেখ করে সিবিআই তদন্তের দাবিও জানানো হয়। যা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, কমিশনের ওই রিপোর্টে বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, উদয়ন গুহ, শওকত মোল্লা, শেখ সুফিয়ান, পার্থ ভৌমিক, খোকন দাস এবং জীবন সাহার নাম রয়েছে। বিভিন্ন জেলার প্রচুর নেতার নাম রয়েছে ওই রিপোর্টে। এবং প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এঁদের বেশিরভাগই শাসকদলের। এই নামের যে তালিকা তৈরি করা হয়েছে, সেখানে গুন্ডা বা দুষ্কৃতীদের নামের তালিকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে জ্যোতিপ্রিয় বলেন, আমার নামে পশ্চিমবঙ্গের কোনও থানায় একটি সাধারণ অভিযোগ পেলেও আমি তাঁকে পুরস্কৃত করব। দল যেভাবে গাইড করবে, সেভাবে পরবর্তী পদক্ষেপ করব। তৃণমূল নেতা পার্থ ভৌমিক বলেন, লোকে বুঝতে পারবে কীভাবে বিজেপি সব প্রতিষ্ঠানকে দলদাসে পরিণত করেছে!
{link}
কেবল রাজনৈতিক নেতা নয়, তালিকায় একাধিক পুলিশ আধিকারিকের নামও রয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর অনুযাই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, এই দুষ্কৃতীদের পক্ষে রাজ্য প্রশাসনের প্রচ্ছন্ন মদত রয়েছে। তাই এ রাজ্যে মামলাটির বিচার করা সম্ভব নয় বলেও দাবি করা হয়েছে রিপোর্টে।
অর্থাৎ এই বিষয়কে ঘিরেও বঙ্গের রাজ্য রাজনীতিতে একটা বড়োসড়ো বিতর্ক এবং তার পাশাপাশি গন্ডোগোল লাগার আশঙ্কা রয়েছে। এই বিষয়তে অবশ্যই রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ করার ইস্যু টানবে আর তাই নিয়ে আরও বৃদ্ধি পাবে কোন্দল। এখন কোন দিকে রথের চাকা গড়ায় তাই লক্ষ্যনীয় বিষয়।
.jpeg)
