বিধানসভা নির্বাচনের মতো প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর দলের অন্দরে অসন্তোষ দেখা গিয়েছে পুরসভা নির্বাচনেও। বিধানসভা নির্বাচনের মতো দলবদলের ছবি না দেখা গেলেও পুরসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর বিক্ষুদ্ধের মধ্যে দেখা গিয়েছে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া। হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরেও কলকাতা পুরনিগমের ভোট থেকে সরে দাঁড়াতে চান না নির্দল প্রার্থী সচ্চিদানন্দ বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার ছিল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। এদিন প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করেননি সচ্চিদানন্দ। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের বোন তনিমা চট্টোপাধ্যায়ও। নির্দল প্রার্থী হিসেবেই ভোটে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা।
{link}
নির্দল প্রার্থী হিসেবে লড়াইয়ের ময়দান থেকে ফিরতে রাজি নন সচ্চিদানন্দ। ৭২ নম্বর ওয়ার্ডের নির্দল প্রার্থী সচ্চিদানন্দ। তিনি বলেন, ২০০৬ সাল থেকে আমি তৃণমূলের সদস্য নই। আমার সদস্যপদ পুনর্নবীকরণ করা হয়নি। সুতরাং বহিষ্কারের কোনও প্রশ্নই ওঠে না। এই পরিস্থিতিতে আমি কোনওমতেই পিছপা হব না। নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগে ফিরহাদ হাকিম, দেবাশিস কুমার সহ তৃণমূলের অনেক নেতাকে আমি বিষয়টি জানিয়েছিলাম। তিনি বলেন, তবে আমি এখনও নিজেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৈনিক বলেই মনে করি।
{link}
নির্দল প্রার্থী হিসেবে লড়াই করার সিদ্ধান্তে অনড় সুব্রত মুখোপাধ্যায় বোন ৬৮ নম্বর ওয়ার্ডের নির্দল প্রার্থী তনিমা চট্টোপাধ্যায়ও। তিনি জানান, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কি নির্দেশ দিয়েছেন, তা তিনি জানেন না। তবে নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করার কোনো চিন্তা-ভাবনা তাঁর নেই। তনিমা বলেন, আমি আগেও বলেছি, আমি তৃণমূলেই আছি, তৃণমূলেই ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও তৃণমূলেই থাকব। দল ডাকুক বা না ডাকুকে একুশে জুলাইয়ের অনুষ্ঠানে যাব। শনিবারই অভিষেক বিক্ষুব্ধ প্রার্থীদের দল থেকে বহিষ্কারের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তাতে আমল দিতে রাজি নন তনিমা। বলেন, বহিষ্কার করতেই পারে। তবে আমজনতাকে তো ঠেকাতে পারবে না! সত্যিই কি কারন আমজনতাকে ঠকাতে না পারা, নাকি কুর্শির লোভ, সেই প্রশ্নও উঠছে রাজনৈতিক মহলে। তবে সম্পূর্ন শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে গিয়ে লড়ার যে সাহস তারা দেখিয়েছেন তারও তারিফ করছেন বহু মানুষ। এই নির্দল প্রার্থীরা কি পাবেন জয়ের স্বাদ? উত্তর দেবে সময়…
.jpeg)
