ত্রিপুরায় ক্রমশ শক্তিবৃদ্ধি করার পাশাপাশি আরও শক্তিশালি নেতৃত্ব নিয়ে ঝাঁপাচ্ছে তৃণমূল। এক সুস্মিতায় রক্ষে নেই, শান্তনু দোসর! এখন এই পরিস্থিতিই হয়ে রয়েছে ত্রিপুরা বিজেপির। ত্রিপুরায় দলীয় কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে হামলার শিকার তৃণমূল নেত্রী সুস্মিতা দেব। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ত্রিপুরা পুরসভা নির্বাচনের আগে আন্দোলনের ঝাঁঝ যতোটা পারা যায় বাড়াতে চাইছে তৃণমূল।
{link}
২০২৩ সালে বিধানসভা নির্বাচন হবে ত্রিপুরায়। তার ঠিক পরের বছরই হবে লোকসভা নির্বাচন। লোকসভা ভোটে ত্রিপুরার একটি আসন কোনও দলের কাছেই ফ্যাক্টর নয় ঠিকই, তবে তৃণমূলের কাছে ত্রিপুরার গুরুত্ব অনেক। কারণ তৃণমূল যে তামাম ভারতে সংগঠন বিস্তারে নজর দিয়েছে, তাতে বাঙালি অধ্যুষিত ত্রিপুরাকে সব চেয়ে বেশি প্রয়োজন তাদের। তাছাড়া ত্রিপুরার পরে মেঘালয়েও শেকড় গাড়তে চেষ্টা করছে তৃণমূল। নজরে রয়েছে অসম সহ উত্তর পূর্বের ছোট ছোট রাজ্যগুলিও। তাই ত্রিপুরা দখলে মরিয়া তৃণমূল।
{link}
নভেম্বর মাসে রয়েছে ত্রিপুরা পুরসভার নির্বাচন। তার আগে সুস্মিতার ওপর হামলা শাপে বর হয়েছে তৃণমূলের! তাকেই হাতিয়ার করতে তড়িঘড়ি বিপ্লব দেবের রাজ্যে পাঠানো হয় শান্তনু সেনকে। এদিনই ত্রিপুরার বিমান ধরেন শান্তনু। সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে রিপোর্ট দেওয়ার কথা তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এখন দেখার, সুস্মিতার ওপর হামলার ঘটনায় ফয়দা তৃণমূল তুলতে পারে কিনা! যদি পারে তাহলে পড়শি রাজ্য জয়ের পথ আরও অনেকটাই মসৃণ হয়ে উঠবে ঘাসফুল শিবিরের জন্য বলে মতামত রাজ্যের রাজনীতিবিদদের।
