একদিকে যখন বাড়তে থাকা কোভিড আতঙ্কের কারনে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে একের পর এক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও পর্যটনের স্থান, এহেন পরিস্থিতিতেই করোনা আবহেও ভক্তদের দর্শন দেবেন তারাপীঠের তারা মা। আপাতত মন্দিরের দরজা বন্ধ থাকছে না বলেই জানানো হয়েছে মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে। অন্যদিকে, সোমবার থেকেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে রাজ্যের আর এক জনপ্রিয় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বেলুড় মঠের দরজা। একাধিক বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে মায়াপুর ইসকন মন্দিরে প্রবেশের উপরেও।
{link}
করোনা আবহে ফের নতুন করে জারি করা হয়েছে বিধিনিষেধ। রাজ্যের বিভিন্ন পর্যটনস্থলগুলোতেও জারি হয়েছে কড়া বিধিনিষেধ। পঞ্চাশ শতাংশ যাত্রী নিয়ে চলছে বাস-ট্রেন-মেট্রো। বন্ধ রয়েছে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়। তবে করোনা আবহেও ভক্তদের নিয়মিত দর্শন দেবেন তারা মা। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সদস্যরা আপাতত মন্দিরের দরজা ভক্তদের জন্য বন্ধ করে দিচ্ছেন না বলেই খবর। মন্দির কমিটির সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায় বলেন, পূর্ণাঙ্গ লকডাউন হলে মন্দির কমিটি মন্দির দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ রাখা নিয়ে চিন্তাভাবনা করবে। কারণ সরকার এবং জেলা প্রশাসনের নির্দেশের বাইরে মন্দির কমিটি নয়। তারাপীঠ লজ মালিক সমিতির সম্পাদক সুনীল গিরি বলেন, এখনও পর্যন্ত পর্যটকেরা ফোনে লজ বুকিং করছেন। মন্দির বন্ধ হয়ে গেলে এলাকার পর্যটন ব্যবসা ধাক্কা খাবে।
{link}
রাজ্যে ফের বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। ওমিক্রন দোসর। প্রায় প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। সংক্রমণ ঠেকাতে কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে নবান্ন। তার পরেও ঠেকানো যায়নি ভিড়। বাসে-ট্রেনে ভিড় হচ্ছে আগের মতোই। তাই শীতের মরসুমে রাজ্যের দ্রষ্টব্যস্থলগুলিতে পৌঁছে যাচ্ছেন পর্যটকেরা। তারাপীঠ এমনই এক পর্যটনস্থল, যেখানে বছরভর আনাগোনা করেন পর্যটকেরা। তারা মায়ের দর্শন পেতেই দেশের নানা প্রান্ত থেকে ছুটে আসেন ভক্তরা। সেই কারণেই আপাতত তারা মায়ের মন্দির বন্ধ রাখা হচ্ছে না বলেই দাবি মন্দির কমিটির। করোনার মোকাবিলায় পৃথক কয়েকটি পদক্ষেপ করছেন মন্দির কমিটিও। কিন্তু এখন এই কথা বলা হলেও ভবিষ্যৎ কি হবে, তার সম্পূর্নটাই নির্ভর করছে পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে তার উপর। তবে এই মূহূর্তে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করার দিকে বিশেষ লক্ষ্য রাখলে তবেই যে ভবিষ্যৎ আবার পুনরায় চেনা ছন্দে ফিরতে সক্ষম হবে তা স্পষ্ট।
