এবার রাজ্যে ভোট মিটে যাওয়ার পর ফের চালু হচ্ছে দুয়ারে সরকার শিবির। সেখানেই আবেদন করা যাবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের জন্য। যে প্রকল্পের কথা একাধিক ভোট পূর্বের জনসভার মঞ্চ থেকে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ওই প্রকল্পেই মাসে মাসে মিলবে টাকা। দুয়ারে সরকার শিবিরে গিয়েই আবেদন করা যাবে ওই প্রকল্পে বলে জানানো হয়েছে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে।
একুশের ভোটের আগে আগে চালু হয়েছিল দুয়ারে সরকার শিবির। নানা সরকারি প্রকল্পের সুবিধা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতেই চালু হয়েছিল ওই শিবির। একুশের ভোটের প্রচারে বেরিয়ে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিপুল জনাদেশ নিয়ে ক্ষমতায় ফিরেই উদ্যোগী হলেন সেই কর্মসূচি চালু করতে।
{link}
আজ, বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ১ সেপ্টেম্বর থেকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা মিলবে। তার আগে জমা নিতে হবে আবেদনপত্র। সেই আবেদনপত্র নেওয়ার জন্য ফের দুয়ারে সরকার শিবিরের আয়োজন করা হবে। ১৬ অগস্ট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবারও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দুয়ারে সরকার শিবির চলবে। সেখানে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড, স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে নাম নথিভুক্তকরণ, জাতি শংসাপত্র-সহ একাধিক প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য আগ্রহীরা আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন।
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের মাধ্যমে তফসিলি ও আদিবাসী মহিলারা প্রতি মাসে ১০০০ টাকা এবং সাধারণ মহিলারা ৫০০ করে টাকা পাবেন। দুয়ারে সরকার শিবিরে গিয়ে আবেদন করা যাবে। যাঁদের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড রয়েছে, তা দেখালেও হবে। তবে তাঁদের দুয়ারে সরকার শিবিরে একটি দরখাস্ত নিয়ে যেতে হবে। ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী প্রত্যেক মহিলা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। তবে যাঁরা পেনশনভোগী, তাঁরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না।
এর পূর্বেও বাংলার মেয়েদের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কন্যাশ্রী প্রকল্প বিপুল সাহায্য করেছে বাংলার ছাত্রীদের। এছাড়াও রূপশ্রী প্রকল্পেও বহু বাংলার মেয়ে উপকৃত হয়েছেন, এবার সেই তালিকাতেই নতুন সংযোজন লক্ষীর ভান্ডার।
