নিজস্ব সংবাদদাতা,দক্ষিণ ২৪ পরগনাঃ এক গৃহবধূর অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল দক্ষিণ ২৪ পরগনার গঙ্গাসাগরে। মৃতের নাম মৌমিতা জানা পাইক (২৩)। এই ঘটনায় মৃত গৃহবধূর বাবা সাগর কোস্টাল থানায় মৌমিতার স্বামী সহ শ্বশুর বাড়ির ৭ জন সদস্যের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
{link}
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত চার বছর আগে স্থানীয় বাসিন্দা সুজন পাইকের সঙ্গে ভালোবেসে বিয়ে করেন মৌমিতা। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, শ্বশুরবাড়ির লোক প্রথমে এই বিয়ে মেনে নিতে চায়নি। ছেলেকে সোনার গয়না, বাইক যৌতুক হিসেবে দেওয়ার পরেই তারা এই সম্পর্ক মেনে নেয়। মৌমিতার পরিবাররে আরও অভিযোগ, বিয়ের পর আবারও ২ লক্ষ টাকা পণ দাবী করে শ্বশুরবাড়ির লোকজন। টাকা না দেওয়ায় শনিবার সকাল থেকে তার ওপর মারধর শুরু করে তারা। এরপর ফোনে বাপের বাড়িতে সব কথা জানান মৌমিতা। হঠাৎ রবিবার দুপুর নাগাদ প্রতিবেশী মারফত মেয়ের মৃত্যু সংবাদ পায় বাপের বাড়ির লোকজন। ওড়নার ফাঁস লাগানো অবস্থায় পাওয়া যায় গৃহবধূর দেহ। খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তার পরিবারের অভিযোগ।
{link}
এরপর মৃতদেহ উদ্ধার করে কাকদ্বীপ থানার পুলিশ। সোমবার ওই গৃহবধূর মৃতদেহের ময়নাতদন্তের জন্য তাকে কাকদ্বীপ হাসপাতালের মর্গে আনা হয়। এই ঘটনায় গঙ্গাসাগর কোস্টাল থানার পুলিশ স্বামী সহ শ্বশুর শাশুড়ি কে গ্রেফতার করে। আজ তাদের কাকদ্বীপ আদালতে পেশ করা হয়।
