Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 09/06/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

পাহাড়ি রাজনীতিতে চমক তৃণমূলের, দলবদলে ঘাসফুলে বিনয় তামাং

Loading... রাজ্য
পাহাড়ি রাজনীতিতে চমক তৃণমূলের, দলবদলে ঘাসফুলে বিনয় তামাং
#news #election #TMC #Trinamool Congress #Binay Tamang #Darjeeling #North Bengal #West Bengal #India #রাজনীতি #সংবাদ

পাহড়ি রাজনৈতিক মহলে ফের চমক দিল তৃণমূল কংগ্রেস। রাজনৈতিক লড়াইয়ে গুরুংকে মাত দিলেন মমতা! পাহাড়ি নেতা বিনয় তামাংকে দলে টেনে নিলেন তৃণমূল নেতৃত্ব। কেবল বিনয় নন, তাঁর সঙ্গে এদিন জোড়াফুলে ঝান্ডা হাতে তুলে নিয়েছেন পাহাড়ের আর এক নেতা রোহিত শর্মাও। জিটিএ নির্বাচনের আগে বিনয়ের ভোলবদলে নিঃসন্দেহে বাড়তি অক্সিজেন জোগাবে তৃণমূলকে। আসন্ন সময়ে বেশ জমাটি লড়াইয়ের সাক্ষি থাকতে চলেছে পাহাড়ের রাজনৈতিক মহল।

{link}
বেশ কয়েক বছর শান্ত থাকার পরে পৃথক গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে ২০১৭ সালে ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পাহাড়। ঘটনার পরেই ধরপাকড় শুরু করে রাজ্য সরকার। পাহাড় ছাড়া হন বিমল গুরুং, রোশন গিরি সহ গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার এক ঝাঁক নেতা। দীর্ঘদিন গা ঢাকা দেওয়ার পর বিমলকে দিল্লিতে দেখা যায় বিজেপি নেতাদের সঙ্গে। বছরখানেক আগে বিমল ফেরেন পাহাড়ে। ততদিনে পাহাড়ের রাজনীতির সমীকরণ গিয়েছে বদলে। তৃণমূল ঘনিষ্ঠ বিনয়ের হাতে তখন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার রশি। পরে বিমলের সঙ্গে যোগাযোগ হয় তৃণমূল নেতৃত্বের। বিনয় হয়ে যান একা। বিমলের বাড়িতে গিয়ে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার পতাকা দিয়ে আসেন বিনয়। তার পর কেটে গিয়েছে পাঁচ মাসেরও বেশি। তৃণমূলে যোগ দিয়ে বিনয় বলেন, গত ১৫ জুলাই আমি আমার দল থেকে ইস্তফা দিয়েছিলাম। পদও ছেড়েছিলাম। এর পর ১৬৪দিন হয়ে গেল। এই সময়ের মধ্যে আমি অন্য কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হইনি। যোগাযোগও করিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ ছিলই। উনি একজন ডায়নামিক লিডার। তিনি বলেন, এক সময় স্থানীয় পার্টি করতাম। এখন জাতীয় দল করে মানুষের সেবা করতে চাই। আমরা চাই ২০১৪ সালে জাতীয় রাজনীতিতে প্রধানমন্ত্রীর মুখ হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখতে। সর্বভারতীয় তৃণমূলে থেকেই আমরা পাহাড়বাসী, গোটা উত্তরবঙ্গের মানুষের সেবা করতে চাই।  

{link}
নতুন বছরেই হতে পারে জিটিএ নির্বাচন। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তার আগে বিনয়কে দলে টেনে গুরুংকে মাত দিলেন মমতা। গোর্খাল্যান্ড আন্দোলনের কফিনে আপাতত শেষ পেরেক পুঁতে দিলেন মমতা। এখন শেষ পর্যন্ত জয়ের স্বাদ পাহাড়ে মেলে কি না, তাই আসন্ন সময়ে দেখার ব্যাপার। সংগঠন যে আরও বেশ কিছুটা মজবুত হল সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। 

সর্বশেষ আপডেট: