এগিয়ে আসছে রাজ্যের পুরসভা নির্বাচনের সময়। ধীরে ধীরে এবার তার প্রস্তুতি শুরু করা শুরু করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশনও। সূত্রের দেওয়া খবর অনুযাই ব্যালটে নয়, রাজ্যের দুই পুরনিগমের ভোট হবে ইভিএমে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে যে ইভিএম রয়েছে, সেগুলি দিয়েই ভোট হবে বলে কমিশনের একটি সূত্রের খবর পাওয়া গেছে। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে ভোট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ১৯শে ডিসেম্বরেই। এবং তারপর ভোটগণনা হবে ২২শে ডিসেম্বর।
ব্যাটল যুগ পেরিয়ে এ রাজ্যে দীর্ঘদিন ভোট হচ্ছে ইভিএমে। এতদিন কোনও অভিযোগ রাজ্যের শাসক দলের তরফে করা না হলেও, উনিশের লোকসভা ভোটের পর উঠেছে। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করেছিলেন ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ। ব্যালট পেপার ফিরিয়ে আনার দাবিও তুলেছিলেন তিনি। তাঁর এহেন দাবির নেপথ্যে ছিল লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির ২ থেকে ১৮ হয়ে ওঠার গল্প।
{link}
একুশের বিধানসভা ভোটের সময়ও ব্যালটের দাবি উঠেছিল তৃণমূলের তরফে। তবে তার পরেও ভোট হয়েছে ইভিএমে। বিপুল জনাদেশ নিয়ে তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফেরার পরেই আর ব্যালটে ভোটের দাবি ওঠেনি উপনির্বাচনে। তাই পুরসভার ভোট ইভিএমেই হবে বলে কমিশন সূত্রে খবর। ওই ভোটে এম-২ টাইপ ইভিএম ব্যবহার করা হবে।
কমিশন সূত্রে খবর, বিজ্ঞপ্তি জারি হবে ১৯ নভেম্বর। রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ যাতে বাধাপ্রাপ্ত না হয়, সেই জন্যই এই সিদ্ধান্ত। রাজনৈতিক দলগুলিকে প্রচারের জন্য সময় দেওয়া হবে মাসখানেক। কারণ ভোট হবে ১৯ ডিসেম্বর। এর ঠিক তিনদিন পরে হবে ভোট গণনা। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন যে কোভিড গাইডলাইন প্রকাশ করেছে, তা মেনেই ভোট হবে। এতদিন পুরসভার ভোট হত সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৩টে পর্যন্ত। তবে কোভিড গাইডলাইন মেনে এবার ভোটগ্রহণ পর্ব চলবে সকাল ৭টা থেকে সন্ধে সাড়ে ৬টা পর্যন্ত।
{link}
ভোট হওয়া মানেই রাজ্যের মানুষ ও সরকারের কাছে একটা অত্যন্ত দায়িত্বের ও কঠিন একটি কাজ। কিন্তু বর্তমান সময়ের পরিস্থিতিতে যত দ্রুত সম্ভব পঞ্চায়েত নির্বাচন করা টা আবশ্যক হয়ে উঠেছে। সেই কারনেই রাজ্য সরকারও দ্রুত সচেষ্ট হয়েছে পুরসভা নির্বাচন করে তোলার লক্ষ্যে। এবং নির্বাচন কমিশনও ইতিমধ্যেই ময়দানে অবতীর্ন হওয়ার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। কাজ এগোচ্ছে দ্রুতগতীতেই।
