কলকাতা পৌরসভা নির্বাচন হয়ে গেলেও কবে হবে রাজ্যের অন্য সমস্ত পঞ্চায়েত ও পুরসভাগুলির নির্বচন? এই প্রশ্নেরই উত্তর খুঁজছিলেন কলকাতাবাসী ছাড়া রাজ্যের অন্য মানুষেরা। দু দফায় ভোট হবে রাজ্যের বকেয়া পুরসভাগুলিতে। প্রথম দফায় হবে পুরনিগমগুলিতে। আর দ্বিতীয় দফায় হবে পুরসভাগুলিতে। বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে এমনই জানানো হয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে।
চলতি মাসের ১৯ তারিখে ভোট হয় কলকাতা পুরসভার। ২০২০ সালে পুরসভার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও, কোভিড পরিস্থিতির কারণে ভোট হয়নি। রাজ্যের আরও ১১১টি পুরসভার দশাও হয়েছিল একই। প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রশাসক বসিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। যদিও বিভিন্ন পুরসভার বাসিন্দাদের অভিযোগ, নাগরিক পরিষেবা ঠিকঠাক মিলছে না। এদিকে, কলকাতা পুরসভার ভোট ঘোষণার পরেই অন্য পুরসভাগুলিতে কবে ভোট, তা জানতে চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। তার প্রেক্ষিতেই দু দফায় ভোটের কথা জানিয়ে দেয় রাজ্য নির্বাচন কমিশন।
{link}
এদিন কমিশন হাইকোর্টে জানায়, আগামী ২২ জানুয়ারি এবং ২৭ ফেব্রুয়ারি দু দফায় হবে রাজ্যের বাকি পুরসভাগুলির ভোট। ২২ জানুয়ারি ভোট হতে পারে হাওড়া, বিধাননগর, শিলিগুড়ি, আসানসোল এবং চন্দননগর পুরনিগমের ভোট। আর পুরসভাগুলির ভোট হবে ২৭ ফেব্রুয়ারি। ওই দু দিনে রাজ্যের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া ১১১টি পুরসভার ভোট হবে।
{link}
প্রসঙ্গত, কলকাতা পুরসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়ে যাওয়ার পর কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হয়েছিল জনস্বার্থ মামলা। ওই জনস্বার্থ মামলায় মামলাকারীরা জানতে চেয়েছিলেন বাকি ১১১ পুরসভার ভোট কবে? আর কেন রাজ্য সরকার পুরসভাগুলির ভোট নিয়ে গড়িমসি করছে? এ নিয়ে রাজ্যের অবস্থান জানতে চায় কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। এদিন তারই জবাব দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন।
উল্লেখযোগ্যভাবে হাওড়া ও কলকাতার পুরসভা নির্বাচন একই দিনে প্রস্তাব করা হলেও তা সম্পূর্ন করে ওঠা সম্ভবপর হয়নি। শুধুমাত্র কলকাতার ভোটই অনুষ্ঠিত হয় ১৯শে ডিসেম্বর। আসন্ন ২২শে জানুয়ারিতেই গঙ্গাপারে হাওড়ায় ভোটের দামামা বেজে ওঠে কি না তাই দেখার বিষয়।
