নিজস্ব সংবাদদাতা, হাওড়াঃ ডোমজুড় থানার অন্তর্গত উত্তর মৌড়ি সরদারপাড়া এলাকায় একটি রং কারখানায় শুক্রবার সকালে হঠাৎই আগুন লাগার ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে কারখানা চত্বরে। আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় দমকলের চারটি ইঞ্জিন। অনুমান করা হচ্ছে, শর্ট সার্কিট থেকেই এই আগুন লাগে। আগুন লাগার ফলে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয় কারখানাটি। তবে হতাহতের কোনও খবর নেই। শুক্রবার বেলা ১০টা নাগাদ হাওড়ার অঙ্কুরহাটির সরদারপাড়ায় ওই রং তৈরির কারখানায় বিধ্বংসী আগুন লাগে। এলাকা কালো ধোঁয়ায় ভরে যায়। ঘটনাস্থলে আসে দমকলের চারটি ইঞ্জিন। প্রায় আড়াই ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
{link}
ঘটনার ছবি তুলতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই রং কারখানাটির কোনও বৈধতা নেই। দমকল সূত্রে জানা গেছে, ওই কারখানা মালিকের কাছে কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে। কারখানায় দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন দ্রুত ভয়াবহ আকার ধারণ করে। দমকল সময়মতো আসায় আশপাশে আগুন ছড়াতে পারেনি। দমকলের হাওড়া স্টেশন অফিসার আর কে সাহা বলেন, কিভাবে আগুন লেগেছে সেটা এখনও জানা যায়নি। এরজন্য ফরেনসিক করতে হবে। আমরা আমাদের কন্ট্রোল রুম থেকে খবর পাই অঙ্কুরহাটি সরদারপাড়ায় একটা রংয়ের ফ্যাক্টরিতে আগুন লেগেছে। আলমপুর থেকে দমকলের প্রথমে দুটো ইঞ্জিন আসে। উলুবেড়িয়া থেকে একটা ইঞ্জিন আসে। আর হাওড়া থেকে একটা ইঞ্জিন আসে। মোট চারটে ইঞ্জিন আসে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। পাশে ওপেন ওয়াটার ছিল। সেখান থেকে আমরা জল সাপ্লাই পেয়েছি। তাই আমাদের বেশি গাড়ি লাগেনি। রংয়ের ফ্যাক্টরিতে কেমিক্যাল ছিল। দাহ্য পদার্থ ছিল। সেই কারনেই আগুন ভয়াবহ আকার নেয়। আমাদের গাড়ি সময়মতো পৌঁছে যাওয়ায় আগুন কন্ট্রোলে আনতে পেরেছি। আমরা কারখানা মালিকের কাছে বৈধ সমস্ত পেপার ডকুমেন্টস কী কী আছে সেইগুলো চেয়েছি। তাহলে বোঝা যাবে এটা আইনি না বেআইনি ছিল। ওনাদের কাছ থেকে সবকিছু চেয়ে আমরা অফিসে জমা দিতে বলেছি। যদিও ঘটনার কারনে এখনও রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে রয়েছেন এলাকাবাসীরা। তবে পরিস্থিতি সম্পূর্নভাবে নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়ছে দমকল বাহিনী।
.jpeg)
