বিরামহীণ বৃষ্টিতে ধ্বসে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ। ধ্বস নেমে রাস্তা বন্ধ হওয়ায় আটকে পড়েছেন পর্যটকরা। এর মধ্যেই তিস্তা নদীর ভয়াবহ বন্যা। বন্যার ফলে জলমগ্ন হয়ে পড়ে জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের তিস্তা নদীর চরে অবস্থিত বাহীর চর এলাকায় বসবাসকারী মানুষদের বাড়িঘর। এবং জলোমগ্ন হয়ে পড়ে সদর ব্লকের মন্ডল ঘাট, কচুয়া, রায়পাড়া ,এবং পার মেখলিগঞ্জ এলাকার বেলতলী ঘাট সংলগ্ন তিস্তা নদীর পাড়ে বসবাসকারী মানুষদের বাড়িঘর । আর এমত অবস্থায় এক চরম সমস্যার মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন এই সমস্ত এলাকায় বসবাসকারী সাধারণ মানুষরা। এমনকি তারা করতে পারছেন না রান্না বন্যা । নিতান্তই বাড়ির অবুঝ শিশুরা ক্ষুধার জ্বালায় কান্নাকাটি করছেন । এবং পেটের তাগিদে মায়াবী আর্তনাদ করছে বাড়ির গৃহপালিত পশুপাখিরা। সেরকমটাই জানালেন তিস্তা নদীর পারে বসবাসকারী স্থানীয় বাসিন্দা রংমালা মন্ডল, সোমা রায় ,দুলাল রায় রা । তারা বলেন রাত থেকেই প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে তিস্তা নদীর জল বেড়ে যায় এবং সেই জল তাদের ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে। এমত অবস্থায় তারা করতে পারছেন না রান্না বান্না। অন্যদিকে পানীয় জল সংগ্রহ করতে অনেকটাই দূরে যেতে হচ্ছে। এবং এ সময়ে খাবারের অভাবে শিশুরা বাড়িতে কান্নাকাটি করছে। তাই এমত অবস্থায় সরকারের কাছে শুকনো খাবার সহ অন্যান্য জিনিসপত্রের আবেদন রাখছেন বন্যা কবলিত এই মানুষগুলো।বিচ্ছিন্ন সিকিম, কালিম্পং।
{link}
বন্ধ ৫৫ নম্বর জাতীয় সড়ক। বুধবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি কমার পূর্বাভাস ছিল। তবে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টি বাড়বে বলে জানানো হয়েছিল। সেটাই হয়েছে। গত রাতে থেকেই উত্তরবঙ্গ জুড়ে শুরু হয়েছে প্রবল বৃষ্টি। তাতে জল বেড়েছে অধিকাংশ নদীতে। দার্জিলিংয়ের একাধিক পাহাড়ি এলাকায় নেমেছে ধস। বহু গ্রামে জল ঢুকছে। লিস, তিস্তা, মহানন্দা-সহ একাধিক নদীর জল বিপদসীমার কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে। বহু জায়গায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন।
