একুশের বিধানসভা নির্বাচনে মমতা ব্যানার্জিকে জয় এনে দেওয়ার ক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করেছিলেন প্রশান্ত কিশোর। মূলত এই জয়ের পিছনে মাস্টারমাইন্ড বলে অভিহিত করা হয়েছে তাকে। বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জয়ের পর, এবার তৃণমূল নেত্রীর পাখির চোখ ২০২৪এর লোকসভা নির্বাচন। তাই নিজেদের পুরোনো সঙ্গী ইলেকশন স্পেশালিস্ট প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে নয়া চুক্তি করল তৃণমূল। অন্তত তৃণমূলের একটি সূত্র থেকে পাওয়া খবর তেমনই জানাচ্ছে। চুক্তি মোতাবেক, ২০২৪ ও তার দু বছর পরের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে জেতাতে গেমপ্ল্যান তৈরি করবে প্রশান্তের সংস্থা আইপ্যাক। লক্ষ্য? দিল্লির মসনদ।
{link}
২০১৯এর লোকসভা নির্বাচনে খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে যায় তৃণমূল। বিজেপি কার্যত ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছে। এহেন সময়েই দুর্গ বাঁচাতে এবং দলকে তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় ফেরাতে বিহার থেকে উড়িয়ে আনা হয় প্রশান্ত কিশোরকে। শোনা যায়, ৫০০ কোটি টাকার চুক্তিতে তৃণমূলের হয়ে কাজ করার চুক্তি হয় আইপ্যাকের। তার পরেই তৃণমূলকে জেতাতে ঝাঁপিয়ে পড়ে পেশাদার এই সংস্থা। তার সুফলও পায় ঘাসফুল শিবির। যে দল গোহারা হারার ভয়ে উড়িয়ে আনে প্রশান্তকে, সেই দলই বিরোধীদের মুখে ঝামা ঘষে বিপুল ভোটে জিতে তৃতীয়বারের জন্য নবান্নে ফেরে। তার পর থেকেই আইপ্যাকের ওপর তৃণমূল নেতৃত্বের অগাধ ভরসা।
{link}
সেই ভরসায় ভর করেই এবার ফের নয়া চুক্তি হল আইপ্যাকের। চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচন ও ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন দুয়ের জন্যই এখন থেকে কাজ করবে আইপ্যাক। যে গুঞ্জন শুরু হয়েছে তাতে মোদিকে হঠিয়ে মমতাকে প্রধানমন্ত্রীর তখতে বসাতে প্রশান্ত সর্বস্ব পণ করেছেন বলে খবর। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সেই কারণেই মহারাষ্ট্র উড়ে গিয়ে এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ারের সঙ্গে ভরদুপুরে বৈঠক করেন প্রশান্ত। যদিও এই প্রসঙ্গে তৃণমূল কিংবা আইপ্যাক দুই পক্ষেই চুক্তির ব্যাপারে স্পিকটি নট!
