রাজ্যের বর্তমান সময়ে চাকরি ও কর্মসংস্থান-এর যে কি বেহাল অবস্থা, সেই ছবি আরও একবার চোখে পড়ল জনসমক্ষে। সোমবার মুর্শিদাবাদের ছবি, মন্ত্রী হুমায়ূন কবির এর উদ্যোগে এবং মুর্শিদাবাদ জেলার একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে মুর্শিদাবাদ জেলার ১২০০ বেকার যুবকের কর্মসংস্থান এর ব্যাবস্থা করার কথা ঘোষনা করা হয় দিন কয়েক আগে। সেই মতোই ফর্ম তোলের মুর্শিদাবাদের যুবকেরা। বহরমপুর স্টেডিয়াম মাঠে আজ ওই কর্মসংস্থান এর জন্য ফর্ম জমা নেওয়ার দিন ঠিক করা হয়। ফর্ম জমা করতে চাকরিপ্রার্থীর ভিড় হবে এটা আন্দাজ করা গিয়েছিল, কিন্তু এহেন অবিশ্বাস্য উপচে পড়া ভিড় হবে সেই ধারনা কেউই করে উঠতে পারেননি। ফর্ম জমা দিতে মাঠে হাজির হন মুর্শিদাবাদ জেলার প্রায় ৩ লক্ষ শিক্ষিত বেকার যুবক। ভোর থেকে বিপুল লাইন পড়তে শুরু হয়। বেলা বাড়ার সাথে সাথেই ভিড় বাড়ার সাথে সাথেই লাইনে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। ফর্ম আগে জমা দেওয়ার জন্য ধাক্কাধাক্কি শুরু হয় । পরিস্থিতি সামাল দিতে লাইনের মাঝে লাঠি চার্জ করে পুলিশ। প্রবল বিক্ষোভ ও বিশৃঙ্খলা চোখে পড়ে মাঠজুড়ে।
{link}
চাকরির আশায় লাইন দিয়ে কপালে জুটলো পুলিশের লাঠি। রাজ্যের শিক্ষিত সম্প্রদায়ের একটা অংশের মানুষের প্রশ্ন চাকরির অবস্থা কতোটা বেহাল হলে তবে ১২০০ শূন্য পদের জন্য ফর্ম জমা দিতে লাইন দিতে আসেন প্রায় ৩ লক্ষ যুবক। প্রত্যেকেই চাকরির জন্য ছুটে এসেছিলেন বহরমপুরের ওই মাঠে। গত কয়েকদিন আগেই ডোম পদে চাকরির জন্য আবেদন করতে দেখা গিয়েছিল এমএ পাশ এক মেয়েকে। কেউবা ইংরাজিতে এমএ পাশ করেও চাকরি না মেলায় খুলে বসেছেন চায়ের দোকান। রাজ্যের চাকরির অবস্থার যদি এমন কঙ্কালসার ছবি হয় তবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যাবে কোথায়?

