নিম্নবিত্ত শ্রেণীর হওয়ায় আর্থিক অবস্থা সচ্ছল নয়। এমএ পাস করেছেন, কিন্তু তাও মেলেনি চাকরি। শেষ পর্যন্ত পরিবারের হাল ধরতে ফুচকা বিক্রি করছেন এমএ পাস ছাত্রী শিম্পি।
{link}
কৃষ্ণনগর শক্তিনগর এলাকার বাসিন্দা শিমপি সাহা, ইতিমধ্যে তিনি এমএ পাস করেছেন। দিচ্ছেন বহু সরকারি চাকরির পরীক্ষা। কিন্তু তবুও জোটেনি চাকরি। বাবার সংসারের হাল ফেরাতে কিছু অর্থ দিয়ে সাহায্য করার জন্য নিজের বাড়ির সামনেই ফুচকার দোকান করে ফুচকা বিক্রি করে চলেছেন তিনি। করোনা পরিস্থিতি তার ওপর সংসারের হাল বেহাল। তাই বাবাকে সাহায্য করতেই শিমপির এই উদ্যোগ বলে তিনি জানান।
{link}
গান করতেও বড়ো ভালোবাসে মেয়েটি। সেকেন্ড হ্যান্ড হারমোনিয়াম কিনে কয়েক দিন রেওয়াজ করেও তা তুলে রাখতে হয়েছে অর্থ কষ্টের জন্য ,তাই নিজের উদ্যমে সংসারের হাল ফেরাতে এই ফুচকার দোকান করে সংসারে অভাব মেটাতে চেষ্টা করছে সে।রবীন্দ্র সংগীত ,আধুনিক গানের প্রতি দূর্বলতা আছে এখনো। তবে অর্থাভাবে তা আজ সবই বিলীন হতে চলেছে। অপরদিকে মা নার্ভের রুগী ঔষধ খরচ কিংবা অন্যান্য খরচের জন্য হাতে একদম পয়সা নেই। কোনরকমে চিকিৎসা চলছে তাই এই ফুচকা বাবস্যাটা অনেকটাই নির্ভরতা দিচ্ছে সিমপি সাহা কে। হাল না ছেড়ে জীবনে লড়াই করে চলার এক অনন্য উদাহারন তৈরি করছেন তিনি।

