পেগাসাস ইস্যুতে সংসদে বিক্ষোভ দেখাতে দেখা যায় তৃণমূল সাংসদদের। তাতে শামিল হতে দেখা গিয়েছিল বিজেপি সাংসদ সুনীল মণ্ডলকেও। তার পরেই রাজধানী জুড়ে জোর জল্পনা শুরু হয়, তাহলে কি তৃণমূলেই ফিরছেন সুনীল!
অন্যদিকে সুনীল যাতে তৃণমূলে ফিরতে না পারেন, সেজন্য পোস্টারও লাগিয়েছেন তৃণমূলের আদিরা কর্মীরা। তবে অনেকেরই আপত্তি থাকা সত্তেও সুনীলকে দ্রুত দলে ফিরিয়ে নেওয়া হতে পারে এমনটাই খবর তৃণমূলের একটি অসমর্থিত সূত্রের ।
{link}
২০১১ বিধানসভা নির্বাচনের আগে ফরওয়ার্ড ব্লক করতেন সুনীল। সেইবার সিংহ চিহ্নে দাঁড়িয়ে সাংসদও হয়েছিলেন। রাজ্যে ২০১১এ পালাবদলের পর সুনীলও দল বদল করেন।ফরওয়ার্ড ব্লক ছেড়ে যোগ দেন তৃনমূলে। ঊনিশের লোকসভা নির্বাচনে ঘাসফুল চিহ্নে দাঁড়িয়ে জয়লাভ করেন সুনীল। তারপর সাংসদ হয়ে দিল্লি চলে যান। একুশের ভোটের আগে রাজ্যে ফের পালাবদল হতে চলেছে ভেবে তৃনমুলের বহু সাংসদ ঘাস্ফুল ছেড়ে পদ্মফুল হাতে তুলে নেন। সেইখানেই আরও একবার দলবদল করেন সুনীল। ঘাসফুল ছেড়ে তিনি হাতে তুলে নেন পদ্মফুল।
তবে ২১এর নির্বাচনে রাজ্যে ভালো ফল করেতে পারেনি বিজেপি। জেলায় জেলায় জয়জয়কার তৃণমূলের। এর পরেই মোহভঙ্গ হয় সুনীলের। তাছাড়া তাঁর সাংসদ পদ খারিজের জন্য লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে দাবি জানান হয় তৃনমূলে তরফ থেকে। তার পরেই নানা ইস্যুতে সংসদে তৃণমূলের সুরে সুর মেলাতে দেখা যায় সুনীলকে। এর পরেই জল্পনা ছড়ায়, দ্রুত তৃণমূল ওয়াপসি হতে চলেছে সুনীলের।
তাহলে কি ফরওয়ার্ড ব্লক ছেড়ে বিজেপি ঘুরে ফের তৃণমূলেই ফিরছেন সুনীল মণ্ডল? তবে সুনীলকে দলে ফেরাতে রাজি নন পুরানো তৃণমূল নেতা কর্মী সমর্থকরা। সুনীলকে গদ্দার সম্বোধন করে পোস্টারও সাঁটানো হয়েছে বিভিন্ন জায়গায়। ওই তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মতে, দলবদলু সুনীল সুযোগ পেলেই দলবদল করেন। তাই তাঁকে ফেরানো চলবে না। আদৌও তিনি এখন ঘাস্ফুলে আসতে পারবেন কিনা লক্ষ টাকার প্রশ্ন।
