Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 16/10/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

যদি কেউ দুর্নীতি করে শুইয়ে দেব, সামনে পুরসভা নির্বাচন, সতর্ক হোন- অনুব্রত

Loading... রাজ্য
যদি কেউ দুর্নীতি করে শুইয়ে দেব, সামনে পুরসভা নির্বাচন, সতর্ক হোন- অনুব্রত
#news #politics #Anubrata Mondal #TMC #Bolpur #Trinamool Congress #CPIM #BJP #corporation election #West Bengal #India #রাজনীতি #সংবাদ

তার দাপটে নাকি বাঘে গরুতেও এক ঘাটে জল খায় বোলপুরে। সেই কেষ্টদারও নাকি হয়েছিল ভুল, স্বীকারও করলেন। ওয়াকিবহাল মহলের মতে বিলম্বিত বোধোদয় তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের! ২০১৭ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে মানুষের রায়ের না নেওয়ায় ভুল হয়েছিল বলে স্বীকার করলেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। রবিবার দুপুরে জেলা তৃণমূলের বিজয় সম্মিলনীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে ভুল কবুল করেন তিনি। এর পাশাপাশি নিজের বক্তব্যের মধ্যে বিতর্ক আনতেও ভোলেলনি অনুব্রত। ভোটের আগে যাকে অশনি সংকেত বলেই মনে করছেন বিরোধীরা। 

{link}
এদিন অনুব্রত বলেন, এবার পঞ্চায়েত ভোট হবে। মানুষের রায় নেওয়া হবে। ২০১৯ সালে ভয়ঙ্কর ভুল হয়েছিল। এবার কিন্তু সেই ভুল হবে না। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্যের সিংহভাগ আসনে ভোট হয়নি। প্রার্থী দিতে না পারার অভিযোগ তুলেছিলেন বিরোধীরা। স্বাভাবিকভাবেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পেয়েছিল তৃণমূল। তার খেসারত দিতে হয়েছিল তৃণমূলকে। ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের আসন সংখ্যা একলপ্তে কমে যায় ১২টি। ফুলে-ফেঁপে ওঠে বঙ্গ বিজেপি। একসময় যাদের দূরবীণ দিয়ে খুঁজতে হত, এখন তারাই ১৮টি সাংসদ নিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। তখনই তৃণমূলের অন্দরে চর্চা হয়েছিল, যে পঞ্চায়েত ভোটে রায় না নেওয়ায় খেপে গিয়েছিলেন জনগণ। এর পরেই জনগণকে তৃণমূলমুখী করতে ভোট করানোর সিদ্ধান্ত নেন তৃণমূল নেতৃত্ব। এই সিদ্ধান্তের কথাই শোনা গিয়েছে অনুব্রতের গলায়। 

{link}
এদিনও ফের একবার বিতর্কে জড়ান অনুব্রত। বলেন, যদি কেউ দুর্নীতি করে শুইয়ে দেব। সামনে পুরসভা নির্বাচন। সতর্ক হোন। ব্লক সভাপতিরা পঞ্চায়েতে নজর দিন। কেউ যদি দুর্নীতি করেন তাঁকে শুইয়ে দেব। এবার ভোটটা করব। মানুষের রায় নেওয়া প্রয়োজন। আগে আমরা ভুল করেছিলাম। 


নিজ ‘ভুল’ অনুব্রত স্বীকার করলেন ঠিকই। তবে ঠিক পাঁচ বছর আগে গণতন্ত্রের কফিনে যে পেরেক পোঁতা হয়েছিল, তার খেসারত কে দেবে? যে ছবিটা ধরা পড়েছিল তা ছিল শুধুই স্বৈরাচারের। বিরোধীরাই যে বুক বাজিয়ে প্রার্থী দিতে পারবে আগামী পঞ্চায়েতে, সেই গ্যারেন্টিই বা কে দেবেন? নাকি আরও একবার সাজানো নাটকের অংশীদার হবেন বঙ্গবাসী? পুনরাবৃত্তি হবে না তো ফের সেই ২০১৭ সালেরই? প্রশ্নগুলো উঠছে বই কি… উত্তর যদিও জানা যাবে ভোটের হাওয়া আরও একটু গরম হলে তারপর। 

সর্বশেষ আপডেট: