ক্রমেই ফাটল চওড়া হচ্ছে গেরুয়া শিবিরে। একে একে বিজেপি ছেড়ে যাচ্ছেন ত্তৃতীয়বার তৃনমুলে। সর্বভারতে সংগঠন গড়তেও উঠে- পরে লেগেছে সবুজ-শিবির। ফের ভাঙন ত্রিপুরার বিজেপিতে। বিজেপি করায় প্রায়শ্চিত্ত করলেন ত্রিপুরার বিধায়ক আশিস দাস! এদিন কালীঘাটে আদি গঙ্গার পাড়ের একটি জগন্নাথ মন্দিরে গিয়ে প্রায়শ্চিত্ত করেন আরএসএস ঘনিষ্ঠ এই নেতা। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূয়সী প্রশংসা করার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কড়া সমালোচনা করেন তিনি।
{link}
বিপুল ভোটে সম্ভব হয়েছে বঙ্গবিজয়। এবার তৃণমূল নেতৃত্বের শ্যেন দৃষ্টি দিল্লির কুর্সি। তার আগে ছোট ছোট রাজ্যে সংগঠন বিস্তারের চেষ্টা করছে তারা। উত্তর প্রদেশের মতো বড় রাজ্যগুলিতেও পায়ের নীচে মাটি জোগাড়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন তৃণমূল নেতারা। তবে তামাম ভারত দখলের আগে বাঙালি অধ্যুষিত ত্রিপুরাকেই পাখির চোখ করেছে জোড়াফুল শিবির। সেই লক্ষ্যেই বিজেপি শাসিত বিপ্লব দেবের রাজ্যে মাটি কামড়ে পড়ে রয়েছেন তৃণমূল নেতারা। ত্রিপুরার দখল নিতেই মূলত প্রয়াত সন্তোষমোহন দেবের কন্যা সুস্মিতা দেবকে দলে টেনেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। তিনিও পড়ে রয়েছেন ত্রিপুরা আগলে।
{link}
এহেন পরিস্থিতিতে ত্রিপুরা থেকে দিন কয়েক আগে কলকাতায় চলে এসেছেন বিধায়ক আশিস দাস। তিনি মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের বিরোধী গোষ্ঠীর লোক হিসেবেই পরিচিত। এদিন কালীঘাটে আদি গঙ্গার তীরের একটি জগন্নাথ মন্দিরে প্রায়শ্চিত্ত করেন আশিস। তৃণমূল নেত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, দেশের বিরোধী মুখ হয়ে উঠেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, সারা দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষের সামনে তিনি আশার আলো জাগিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইন্দিরা গান্ধির পরে তিনি নিজেকে দ্বিতীয় মায়ের মতো জায়গায় নিয়ে গিয়েছেন।
পশ্চিমবঙ্গের আকাশে আপাতত বিজেপির সুর্য ওঠার কোন সম্ভবনা নেই। যদিও ২০১৯এর লক্সভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির অভুতপুর্ব সাফল্যের কারনে অনেকেই মনে করেছিলেন যে ২০২১এর বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি এই সাফল্য ধরে রাখবে। এই রাজ্যেই ক্ষমতায় আসবে বিজেপি। এই ভাবনার মধ্যে যে কোন বাস্তবতা ছিলোনা সেটা বোঝার পরই দল বদলের পালা শুরু। ক্ষমতার অলিন্দে থাকতে না পারার যন্ত্রনা তাড়া করে ধান্দাবাজ, নিতি আদর্শহিন রাজনিতিকদের। আর সেই লাইনে দাঁড়িয়ে লম্বা লকের লাইন।
