Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 13/06/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

দলের তারকা নেতা-কর্মীদের মনোবল বাড়ানো ও সংগঠন চাঙ্গা করতে বৈঠক বিজেপির

Loading... রাজ্য
দলের তারকা নেতা-কর্মীদের মনোবল বাড়ানো ও সংগঠন চাঙ্গা করতে বৈঠক বিজেপির
#news #politics #BJP #Artists #TMC #Actors #West Bengal #India #Dilip Ghosh #Mamata Banerjee #রাজনীতি #সংবাদ

একুশের যুদ্ধ শেষে দলের যা প্রাপ্তির আসা ছিল, তা প্রাপ্তি ঘটেনি সিকিভাগও। তারপরেই বিপুল আঘাত লেগেছে কর্মীদের মনোভাবে। একের পর এক নেতা, কর্মী ত্যাগ করছেন দল। মনোবল গিয়ে ঠেকেছে তলানিতে। দলের তারকা নেতা-কর্মীদের সেই মনোবল বাড়ানোর পাশাপাশি সংগঠন চাঙা করতে বৈঠকে বসল বিজেপি। গেরুয়া নেতা অমিতাভ চক্রবর্তী রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় ওই বৈঠকে বসেন। সেখানে নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। ওঠে তারকা নেতা রূপা ভট্টাচার্য ও অনিন্দ্যপুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলত্যাগের প্রসঙ্গও। 

{link}
একুশের ভোটে হাওয়া ছিল বিজেপির পক্ষে। সেই হাওয়া আঁচ করেই দলে দলে লোকজন তৃণমূল সহ বিভিন্ন দল থেকে বেরিয়ে এসে যোগ দেন বিজেপিতে। এঁদের মধ্যে হেভিওয়েট নেতা যেমন ছিলেন, তেমনি ছিলেন টলি-বলি তারকারা। ২০০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগিয়েছিল বিজেপি। ভোটের ফল বেরলে দেখা যায়, লক্ষ্যমাত্রার মাত্র এক তৃতীয়াংশ আসন পেয়েছে গেরুয়া শিবির। এর পরেই মোহভঙ্গ হয় দলবদলুদের। তৃণমূলে ফিরতে তদ্বির শুরু করে দেন তাঁরা। অনেকে আবার বিজেপিতে থেকেই দলে নিন্দে করছেন। ভোটের আগে গেরুয়া শিবিরে ভিড়লেও, দিন কয়েক আগে দল ছেড়ে দেন তারকা নেতা রূপা ভট্টাচার্য ও অনিন্দ্যপুলক বন্দ্যোপাধ্যায়। এঁরা ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়েছেন সিপিএমের সঙ্গে। যা দেখে চিন্তায় পড়ে যান গেরুয়া নেতৃত্ব। তার জেরেই রবিবার সন্ধ্যায় হেস্টিংসে দলীয় কার্যালয়ে বসে বিজেপি। গেরুয়া নেতা অমিতাভ চক্রবর্তীর নেতৃত্বে বৈঠক হয়। সেখানে নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। ওঠে তারকা নেতা রূপা ভট্টাচার্য ও অনিন্দ্যপুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলত্যাগের প্রসঙ্গও। তাঁরা যে ভাষায় দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে আক্রমণ করেছিলেন, এদিন তারও সমালোচনা করা হয়। বৈঠকে দলের সংস্কৃতি-সংগঠন কীভাবে কাজ করবে, তা নিয়েও আলোচনা হয়। শিল্পীদের সঙ্গে সমন্বয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিজেপির রাজ্য সহ সভাপতি প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এর পরেও আর বিজেপির তারকা শিবিরে ভাঙন ধরে কিনা, এখন প্রশ্ন।

{link}
সবদিক বিবেচনা করে একথা স্পষ্ট যে একুশের ভোটে সেই বিপুল গেরউয়া ঝড় ওঠা সত্ত্বেও তার পরিনাম না মেলায় এখন রাজ্যে অনেকটাই ব্যাকফুটে বিজেপি। অমিত শাহ, নরেন্দ্র মোদীর মতো বড়োসড়ো রাজনৈতিক নাম রাজ্যে একে একাধিক জনসভা করেও এনে দিতে পারেননি জয়। ভবিষ্যতে এই পুরোনো চাঙ্গা ও লড়াকু মনোভাব আবার ফিরবে তো আদৌ পদ্ম শিবিরে? 

সর্বশেষ আপডেট: