ক্রমশই রাজ্যে উত্তাপ বাড়ছে পড়শি দেশে হওয়া হিন্দু পূজায় আক্রমনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে। সাথে বৃদ্ধি পাচ্ছে রাজনৈতিক তরজা। বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গোৎসব, আর এই দুর্গাপুজোর মরশুমে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর আক্রমণ হয়েছে। পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে হিন্দুদের ঘরবাড়ি, ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে দুর্গাপুজোর প্রতিমা, প্যান্ডেল। ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে ইস্কন মন্দির। আর তারই প্রতিবাদে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বিজেপির মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলার পক্ষ থেকে প্রতিবাদ মিছিল করা হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা নাগাদ জেলা কার্যালয় থেকে মিছিল শুরু হয়ে শহরের রিং রোড পরিক্রমা করে জেলা কালেক্টর অফিসের সামনে এসে শেষ হয়। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য নেতা রাজু বন্দোপাধ্যায়, রাজ্য সাধারণ সম্পাদক তুষার মুখার্জি, জেলা সভাপতি সৌমেন তেওয়ারি, মন্ডল সভাপতি দেবাশীষ দাস, বিশ্বনাথ দোলই সহ কয়েক হাজার বিজেপি কর্মীবৃন্দ।
{link}
এ বিষয়ে জেলা সভাপতি সৌমেন তেওয়ারি বলেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর যে অনবরত অত্যাচার চলছে মূলত তারই প্রতিবাদে আমরা আজ এই প্রতিবাদ মিছিল করেছি। এরপর যদি হাসিনা সরকার কোনও পদক্ষেপ না নেয় তাহলে এদেশের হিন্দুদের ভাবতে হবে। আমরা কিন্তু চুপ করে থাকব না। আমরা চাই না অশান্তি, আমরা শান্তিপ্রিয় দেশে বাস করি, আর সেই কারণেই আমরা হাসিনা সরকারের কাছে এবং আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে অনুরোধ করছি এ বিষয়ে তিনি যেন পদক্ষেপ করেন। কেন এই ইস্যু নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মুখ খোলেননি সেই নিয়ে বারংবার প্রশ্ন তুলেছে পদ্মের শিবির। পশ্চিম মেদিনীপুরে আজকের এই প্রতিবাদ মিছিলে সমর্থকের উপস্থিতি ছিল কয়েক হাজার। প্রতিবাদ যে জোরদার হচ্ছে সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। এর প্রভাবে এই ঘটনা কে কেন্দ্র করে কিছুটা হলেও চাপ বৃদ্ধি পাবে বাংলাদেশের সরকার ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। শেষ পর্যন্ত জল কতদূর গড়াবে? প্রশ্ন এখানেই।
