কার্যত ধীরে ধীরে বদল হচ্ছে সম্পূর্ন চিত্রের। তবে কি একুশে লক্ষ্যপূরন না হওয়ায় রাজ্যে নিজেদের আগাগাড়া কাঠামোটাই বদল করতে চাইছে বিজেপি? বদল হয়েছে রাজ্য সভাপতি। এবার রদবদল হবে রাজ্য কমিটিতেও। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, দলের বেশ কিছু নেতার দায়িত্ব বদলে যেতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু নেতাকেও দেখা যেতে পারে রাজ্য কমিটিতে।
দিল্লির নেতাদের ডাকে এদিনই দিল্লি উড়ে গিয়েছেন বিজেপির সদ্য প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এবং অমিতাভ চক্রবর্তী। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, তাঁদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং জেপি নাড্ডা। সেখানেই সংগঠন নিয়ে হতে পারে আলোচনা।
{link}
২০২৪এ লোকসভা নির্বাচন। ওই নির্বাচনে বিরোধীদের কুপোকাত করতে মরিয়া বিজেপি। তাই এখন থেকেই শুরু হয়েছে ঘুঁটি সাজানোর কাজ। সেই মতো বদলে দেওয়া হয়েছে রাজ্য সভাপতি। খোলনলচে বদলানো হবে রাজ্য কমিটির।
{link}
গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন পাঁচজন। তাঁদের মধ্যে তিনজনকে সরানো হতে পারে। বাড়ানো হতে পারে রাজ্য সাধারণ সম্পাদকের সংখ্যাও। মন্ত্রিসভা রদবদলের সময় সরানো হয়েছিল দুই প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় ও দেবশ্রী চৌধুরীকে। বাবুল দল ছেড়ে যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে। দেবশ্রীকে গুরুত্ব দিতে তাঁকে নিয়ে আসা হতে পারে রাজ্য কমিটিতে। রাজ্য কমিটিতে নিয়ে আসা হতে পারে কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামাণিককে। বড় কোনও দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে অর্জুন সিংকে। দেবশ্রী এবং নিশীথ ছাড়াও উত্তরবঙ্গের আরও কয়েকজন নেতাকেও বসানো হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ কোনও পদে।
একুশের বিধানসভা নির্বাচনে দক্ষিণের চেয়ে ভালো ফল হয়েছে উত্তরে। জয়ী হয়েছিলেন ২৯ জন বিজেপি প্রার্থী। তাই উত্তরকে বেশি করে গুরুত্ব দিতে চাইছেন গেরুয়া শিবিরের দিল্লির নেতারা। এতএব স্বাভাবিকভাবেই একথা স্পষ্ট যে বিজেপি উত্তরের দিকেই বেশি গুরুত্ব দেবেন, বাড়তি গুরুত্ব পাবেন উত্তরের বিজেপি নেতারাও। যার ফলে এখনও কোপ নেমে আসতে পারে রাজ্য বিজেপির আরও বেশ কয়েকজন পরিচিত মুখের উপরেও। শেষমেষ খোলস বদলের পর কি রাজ্যে বাড়বে বিজেপির কদর?
