Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 10/06/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

আশা ছিল, ভালোবাসা ছিল, আজ আশা নেই... ভালোবাসাও নেই!!

Loading... রাজ্য
আশা ছিল, ভালোবাসা ছিল, আজ আশা নেই... ভালোবাসাও নেই!!
#news #politics #BJP #Sukanta Majumder #Dilip Ghosh #Narendra Modi #Amit Shah #KMC #corporation election #West Bengal #India #রাজনীতি #সংবাদ

আশা ছিল, আশা ছিল রাজ্য জয় করার, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের গলায় সেই জয়ের নিশ্চিত বিশ্বাসও ছিল। সেই কারনে দলের প্রতি কর্মীদের ভালোবাসাও ছিল। কিন্তু আজ আশা নেই, ভালোবাসাও নেই। এই হল বর্তমানে রাজ্যর বিজেপির নেতা-কর্মী-সমর্থকদের একাংশের অবস্থা। মূলত ছবিটা পাল্টেছে বিধানসভা নির্বাচন শেষ হওয়ার পর। একুশের বাংলা বিধানসভা নির্বাচনে মুখ থুবড়ে পড়েছে গেরুয়া শিবির। উপনির্বাচনেও হয়েছে গোহারা অবস্থা। তারপরেই দল ছাড়তে থাকেন একের পর এক হেভিওয়েট নেতা। স্বাভাবিকভাবেই বিজেপির রাজ্য দফতর এখন ভাঙাহাট। এখন আর আগের মতো গমগম করে না দফতর। সেই কারনেই মার খাচ্ছে পুরসভা নির্বাচনের প্রচারও। একটা পরাজয়ে কর্মীদের মনোবল ও উপস্থিতি দুইই গিয়ে ঠেকেছে তলানিতে।  

{link}
২০১৫ সালে রাজ্যে বিজেপির তেমন রমরমা ছিল না। তবু সেই সময় রাজ্য দফতরে ভিড় উপচে পড়ত নেতা-কর্মীদের। তাঁদের আলাপ-আলোচনায় গমগম করত রাজ্য দফতর। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি বিজেপি। ২০০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করেও বিজেপি ঝুলিতে এসেছে সাকুল্যে ৭৭টি আসন। অথচ বাংলায় বিজেপিকে ক্ষমতায় আনতে প্রাণপাত করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। চাটার্ড বিমানে করে দিল্লি-কলকাতা নিত্য যাতায়াত করেছেন বিজেপির হেভিওয়েট নেতারা। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী সভা করেন ২১টি। ছোট-বড় মিলিয়ে ১২১টি কর্মসূচিতে যোগ দেন অমিত শাহ। তারপরেও নবান্নের কুর্সি থেকে যায় গেরুয়া শিবিরের অধরা। 
একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জনাদেশ নিয়ে ক্ষমতায় ফেরে তৃণমূল। তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পরেই হতাশা গ্রাস করে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের। তার জেরেই বিজেপির রাজ্য দফতর এখন ভাঙাহাট। 

{link}
১৭ই নভেম্বর ভোট পরিচালনা কমিটি গঠন করে বিজেপি। সেই কমিটিতে স্থান পেয়েছিল বাংলার বাইরের নেতা, বিধায়ক এবং সাংসদের অনেকেই। এই কমিটি সব মিলিয়ে এপর্যন্ত একটা মিটিং করেছে। ১৯শে ডিসেম্বর ভোট। হাতে ১৫ দিনও সময় নেই। নেতারা ব্যস্ত নিজেদের মধ্যে কাদা ছোঁড়াছুঁড়িতে। বিজেপির একটি সূত্রের খবর, পরিচালন কমিটিতে যাঁদের রাখা হয়েছিল, তাঁদের অনেকেই কলকাতা ভালো করে চেনেন না। তাই প্রচারে ঝড় উঠছে না। যা ইতিমধ্যেই চোখেও পড়ছে প্রচারের চিত্র দেখে। একদিকে যখন ইতিমধ্যেই পুরসভা নির্বাচনের প্রচারে দৈনিক ঝড় তুলছ শাসক শিবির, সেখানে গেরুয়া প্রার্থীদের খুঁজতে হচ্ছে দূরবীন দিয়ে। পদ্ম শিবিরের হাতে গোণা যে কজন নেতা প্রচার করছেন, তাতে কতটা সোনা ফলবে? আদৌ ফলবে তো? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে।

সর্বশেষ আপডেট: