বেশ কয়েকদিন যাবৎ রাজ্যে অন্যতম গুরুতবপূর্ন একটি প্রসঙ্গ উত্তরবঙ্গ, কারন কয়েকজন বিজেপি নেতৃত্ব তাকে পৃথক রাজ্য করতে ইচ্ছুক। কিন্তু এই প্রসঙ্গে বঙ্গভঙ্গের দাবিতে শিলমোহর দিলেন না, বরং ওই দাবিতে দাঁড়ি টেনে দিলেন বিজেপির নয়া রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। জানিয়ে দিলেন উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গ বলে কিছু হয় না।
বাংলা ভাগের দাবি জিইয়ে রেখে বহুবার ভোট বৈতরণি পার হয়েছে এ রাজ্যের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। কখনও পৃথক গোর্খাল্যান্ড, কখনও আবার পৃথক কামতাপুরের দাবিতে সোচ্চার হয়েছে কোনও কোনও রাজনৈতিক দল। তাদের দাবিতে ধুয়ো দিয়ে ‘কাজ হাসিল’ ও করেছেন ওই রাজনৈতিক দলগুলি। নানাভাবে সেসব দাবি ধামাচাপাও দেওয়া হয়েছে।
{link}
এবার একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পর ফের একবার পৃথক উত্তরবঙ্গের দাবিতে সরব হন আলিপুরদুয়ারের সাংসদ বিজেপির জন বার্লা। পরে কোচবিহারের সাংসদ বিজেপির নিশীথ প্রামাণিকও উত্তরবঙ্গকে পৃথক রাজ্য কিংবা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করার দাবি জানান। এদিকে পৃথক জঙ্গলমহল গড়ার দাবি জানান বাঁকুড়ার সাংসদ বিজেপির সৌমিত্র খাঁ। উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে বার্লার দাবিকে পরোক্ষে সমর্থন করেন বিজেপির তৎকালীন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষও। তা নিয়ে বিস্তর হইচই হয়।
তবে বিজেপির নয়া রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন বাংলাভাগের বিপক্ষে তিনি। সুকান্ত বলেন, রাজ্যে উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গ নিয়ে কোনও বিভেদ রয়েছে বলে মনে করি না আমি। আলাদা করে উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গ বলেও কিছু হয় না। এই বঙ্গ তৈরির পিছনে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদান রয়েছে বলেই দাবি সুকান্তের। অর্থাৎ এর ফলে অন্তত কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবেন রাজ্যবাসী। রাজ্য ভাগ হয়ে যাক তা হয়ত কেউই চান না।
