Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 13/06/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

দলবিরোধী কাজের জন্য বহিষ্কার তিন নেতাকে, আর কার ঘাড়ে পড়তে চলেছে কোপ?

Loading... রাজ্য
দলবিরোধী কাজের জন্য বহিষ্কার তিন নেতাকে, আর কার ঘাড়ে পড়তে চলেছে কোপ?
#news #politics #BJP #TMC #Dilip Ghosh #JP Nadda #Leaders #West Bengal #India #সংবাদ #রাজনীতি

বহুদিন ধরেই জল্পনা চলছিল, তবে কি দলে গুরুত্ব কমছে দিলীপের? প্রশ্ন ওঠার কারন শুভেন্দু অধিকারী একের পর একবার দিল্লিতে উড়ে গিয়ে শীর্ষ নেতৃত্বের সাথে বৈঠকে বসছেন। কিন্তু ডাক পড়ছে না রাজ্য সভাপতির। কিন্তু দলে তার গুরুত্ব কমেনি। শুভেন্দু নয়, এবার দিল্লিতে বৈঠকের উদ্দেশ্যে গিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে বৈঠক চলছে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের। এরই মধ্যে তিন নেতাকে বহিষ্কার করে বিক্ষুব্ধদের বার্তা দিয়ে দিয়েছে বিজেপি। দলের মধ্যে বিপুল বিক্ষোভের যে সূত্রপাত হয়েছে, তা নির্মূল করতেই এই পন্থা নিল গেরুয়া শিবির। 

{link}
দিল্লিতে তলব পেয়ে শনিবার রাতেই দিল্লির উড়ান ধরেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তবে রবিবার তাঁর সঙ্গে দেখা হয়নি কোনও কেন্দ্রীয় নেতার। এনিয়ে জল্পনা ছড়ায়। শেষমেশ দিলীপের সঙ্গে এদিন বৈঠকে বসেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। সেখানেই দলে পুঞ্জীভূত ক্ষোভ নিয়ে আলোচনা হয়। ততক্ষণাৎ বহিষ্কার করা হয় বাঁকুড়ার তিনি নেতাকে। এঁরা হলেন দলের এসসি মোর্চার সাধারণ সম্পাদক স্বপন বাউড়ি, কাশীপুর বিধানসভা এলাকায় আইটি সেলের কনভেনর শুভদীপ প্রামাণিক ও বলরামপুর বিধানসভা এলাকার মণ্ডল সভাপতি অশ্বিনী সিং সর্দার। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করায় এই তিনজনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।


গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, দলীয় নির্দেশ অমান্য করে একুশের ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন স্বপন। বলরামপুর বিধানসভায় দলের অফিসিয়াল প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন অশ্বিনী। আর সোশ্যাল মিডিয়ায় দল ও দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অপমানজনক মন্তব্য করেছিলেন শুভদীপ। কেবল স্বপন, অশ্বিনী আর শুভদীপ নন, দলে ক্রমেই বাড়ছে বিক্ষুব্ধের সংখ্যা। দলে থেকেই তাঁরা মন্তব্য করছেন দলবিরোধী। বিজেপি ছেড়ে মুকুল রায় তৃণমূলে ফেরার পরে আরও বেশি করে মাথাচাড়া দিচ্ছেন বিক্ষুব্ধরা। তাঁদের শায়েস্তা করতেই তিনজনের ঘাড়ে কোপ বলে গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর।

{link}
এবং তাদের ঘাড়ে কোপ দিয়ে বেশ কিছু বেঁকে বসা শীর্ষ নেতৃত্বদেরও সাবধান করে রাখল বিজেপি শিবির বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞেরা। রাজ্যে পরাজয়ের পরেই চিড় ধরেছে দলীয় সংগঠনে। সেই ফাটল মেরামত করতেই কার্যত এখন নাজেহাল দলীয় নেতৃত্ব। বেঁকে বসেছেন রাজ্যের একাধিক শীর্ষ নেতৃত্বও। ভবিষ্যৎ কার্যত ডুবন্ত অবস্থায়। রক্ষা হবে তো? 

সর্বশেষ আপডেট: