অনেক শিক্ষা হয়েছে, তাই দলবদলুদের উপর ভরসা আর নয়। কয়েকদিন আগেই আবারও শিক্ষা দিয়েছেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়! সেই কারনেই দলবদলুদের বড় কোনও পদে না বসানোর চিন্তাভাবনা করছে বিজেপি। গেরুয়া শিবির সূত্রেই এ খবর মিলেছে। বিজেপির নতুন সদস্যদের দলীয় আদর্শ ও পার্টির ইতিহাস জানাতে তাঁদের ক্লাস নেওয়ার কথাও ভাবছেন গেরুয়া নেতৃত্ব। অর্থাৎ এবার থেকে আস্থা শুধুই খাঁটি দলীয় কর্মীদের উপর।
{link}
একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বেনো জলের মতো তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন লোকজন। ভোটে মুখ থুবড়ে পড়ে বিজেপি। তার পরেই তৃণমূলে ফেরার তোড়জোড় করতে শুরু করেন দলবদলুরা। উপমুখ্যমন্ত্রিত্ব কিংবা অন্য কোনও ‘ভালো লাভে’-র আশায় যাঁরা বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন, দলের বিপর্যয়ের পর তাঁরাই যোগাযোগ করতে শুরু করেন তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে। সুযোগ পেলে বদল করেন ফুলও।
বিজেপির বিপর্যয়ের পর সবার প্রথমে দল ছাড়েন মুকুল রায়। ছেলে শুভ্রাংশুকে নিয়ে বিজেপি ছাড়েন তিনি। তাঁকে বসানো হয়েছিল সর্ব ভারতীয় সহ সভাপতি পদে। তার পরেই একে একে ফিরতে শুরু করেন সব্যসাচী দত্ত, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। সব্যসাচী ছিলেন অন্যতম রাজ্য সম্পাদক। আর রাজীবকে করা হয়েছিল জাতীয় কর্ম সমিতির আমন্ত্রিত সদস্য। তৃণমূল ছেড়ে আসায় এঁদের বসানো হয়েছিল গুরুত্বপূর্ণ পদে। তিনজনেই দল ছাড়ায় মুখ পুড়েছে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের। তার জেরেই এবার আর দলবদলু কিংবা দল ছেড়ে যেতে পারেন এমন কাউকে আর বঙ্গ বিজেপির উচ্চ পদে বসানো হবে না বলেই চিন্তাভাবনা করতে শুরু করেছেন গেরুয়া নেতৃত্ব। দলের সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, দল ছাড়ার প্রবণতা রয়েছে এমন কাউকে গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখার ক্ষেত্রে অবশ্যই ভাবনাচিন্তা করা হবে।
{link}
এই সমস্ত নেতাদের এহেন ভাবমূর্তী ও পদক্ষেপের কারনে কেন্দ্রীয় রাজনীতিতেও মুখ পুড়েছে বিজেপির। একেবারে যাকে বলা চলে সলবদলুদের উপর আস্থা করার পরিনতি হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে রাজ্য বিজেপি শিবির। তাই এহেন পদক্ষেপ আর নৈব নৈব চ!
