তিনি হুগলির সাংসদ, তার পাশাপাশি রাজ্য বিজেপির অন্যতম পরিচিত মুখও বটে। হুগলিরই সিঙ্গুরে চলছে বিজেপির কিষান মোর্চার তিনদিন ব্যাপী অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি। অথচ সেই কর্মসূচীতেই তিনি নেই। তাঁর এই অনুপস্থিতিতে উঠছে প্রশ্ন। প্রশ্ন হল, তবে কি ইচ্ছে করেই কি বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায় এড়িয়ে যেতে চাইছেন দলীয় কর্মসূচি? নাকি এর পিছনে লুকিয়ে অন্য কোনও কারণ? লকেট নিজে অবশ্য বলছেন, হাউজের কাজ চলছে, সেই কারনেই ব্যস্ত আছি।
{link}
কৃষকদের অবহেলার প্রতিবাদে সিঙ্গুরের গোপালনগরে অবস্থান বিক্ষোভে বসেছে বিজেপি। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, এই অবস্থান-বিক্ষোভে হুগলি তো বটেই, দুই মেদিনীপুর, দুই বর্ধমান, বাঁকুড়া এবং বীরভূম থেকেও দলীয় কর্মী-সমর্থকরা এসে যোগ দিয়েছেন। বিজেপির একাধিক নেতৃত্বও যোগ দিয়েছেন দলের শাখা সংগঠনের ডাকা ওই কর্মসূচিতে। ব্যতিক্রম শুধুমাত্র লকেট।
{link}
বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সঙ্গে লকেটের সম্পর্ক অম্লমধুর। বাংলা ভাগ নিয়ে দু'জনের মনান্তর প্রকাশ্যে চলে আসে। দিলীপ যখন বাংলা ভাগের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন উত্তরবঙ্গে বসে, তখন তার তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন লকেট। তাঁর বক্তব্য ছিল, বাংলা আবেগের জায়গা। তাই বাংলা ভাগ তিনি চান না। এদিন দিলীপ বলেন, সিঙ্গুরে দলের রাজ্য সভাপতি আছেন, বিরোধী দলনেতাও আছেন। আমরা সবাই আছি। তাই লকেটের খুব দরকার আছে, এরকম নয়। তিনি থাকলে নিশ্চয়ই আসতেন। বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি বলেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাঁকে উত্তরাখণ্ডের ভোটের দায়িত্ব দিয়েছেন। গত একমাস ধরে তিনি সেখানেই রয়েছেন। সংসদে এসেছেন। দেখা হয়েছে। আবার সেখানে চলে গিয়েছেন। অর্থাৎ কোথাও গিয়ে কি দূরত্ব বৃদ্ধি পাওয়ার ইঙ্গিত মিলছে? প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক মহলেও। শেষ পর্যন্ত লকেটও আবার বাবুলের রাস্তা ধরবেন না তো?

